বাঙ্গরায় রাশিদা হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

ফন্ট সাইজ:

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানার মহেশপুর গ্রামে পাঁচ সন্তানের জননী রাশিদা আক্তার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বিকালে মহেশপুর বাজারে গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে শত শত নারী-পুরুষ, কিশোর, যুবক ও প্রবীণ অংশ নেন। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মো. মানিক সরকার। সমাবেশে বক্তব্য দেন নিহত রাশিদা আক্তারের ভাই সালাউদ্দিন, মেয়ে সামিয়া আক্তার ও আছিয়া আক্তার, নূর জাহান, মো. আলী, নিহতের শাশুড়ি অজুফা বেগম, মোশাররফ হোসেন, জাহাঙ্গীর মইশাল, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. ফরিদ মিয়া, মোস্তফা মইশাল, আব্দু মিয়া, আবু জাহের এবং হাফেজ মাওলানা জালাল উদ্দীনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বক্তারা অভিযোগ করেন, পূর্ব বিরোধের জেরে গত ২৫শে জুন দুপুরে মহেশপুর বাজারে প্রকাশ্যে রাশিদা আক্তারকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তারা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় রহিম মেম্বারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালায়। তারা এজাহারভুক্ত সব আসামির দ্রুত গ্রেপ্তার, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন।

মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারীরা “রাশিদার খুনি কেন বাইরে?”, “ফাঁসি চাই, ফাঁসি চাই, রাশিদা হত্যার আসামিদের ফাঁসি চাই”সহ বিভিন্ন সেøাগান দেন। জানা যায়, নিহত রাশিদা আক্তার মহেশপুর গ্রামের কৃষক দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী। গত ২৫শে জুন দুপুরে তিনি কয়েকটি গরু নিয়ে বাবার বাড়ি কামাল্লা গ্রামে যাওয়ার পথে মহেশপুর বাজারে প্রকাশ্যে হামলার শিকার হন।

স্থানীয়দের সামনেই তাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিউল আলম বলেন, “পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ঘটনায় মতিন সরকারের ছেলে কলিমউল্লাহ ও ডালিম মিয়ার ছেলে ইমামুল নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন