তাপস চন্দ্র বিশ্বাস (৩৯) চাকরি করতেন একটি ওষুধ কোম্পানিতে। সেখানে অস্থায়ী কর্মচারী ছিলেন তিনি। দুরারোগ্য ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা খরচ মেটাতে গিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন তিনি। তার রোগটির নাম ন্যাসোফেনজিয়াল। ওই রোগে তিন বছর ধরে ভুগছেন তাপস। সহায়-সম্বল বেচে এ যাবৎ ১৩ লাখ টাকা খরচ করেছেন। আরও প্রয়োজন ১০ লাখ টাকা। বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (পিজি হাসপাতাল) সহকারী অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুনের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছে। তাপসের বাড়ি নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের পুলিশ লাইন্স সাদ্দাম মোড় এলাকায়। তিন বছর আগে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়।
সেখানে তার ক্যান্সার রোগ ধরা পড়ে। উন্নত চিকিৎসার জন্য পরে তাকে ঢাকার পিজি হাসপাতালে নেয়া হয়। কিন্তু পিজি হাসপাতালে রেডিওথেরাপি মেশিন নষ্ট থাকায় আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তাপস ওই হাসপাতালের রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক সুরা যুকরূক মমতাহীনার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অসুস্থতার কারণে দুর্বল হয়ে পড়ায় তাপসের কণ্ঠ থেকে কথা বের হয় না।
তার স্ত্রী রঞ্জিতা রানী জানান, ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতে গিয়ে আমরা সর্বস্বান্ত হয়েছি। ইতিমধ্যে চাকরি হারিয়েছে তাপস। আমিও একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে চাকরি করতাম। অসুস্থ স্বামীর সেবায় তা ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের একমাত্র ছেলেসন্তান ৩য় শ্রেণিতে পড়ে। তিনি তার স্বামীর চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা চেয়েছেন।
