ফুলটাইম: স্পেন ৩-০ অস্ট্রিয়া
সিয়াটেলের সোফাই স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দাপটের সঙ্গেই শেষ ১৬ নিশ্চিত করলো স্পেন। পুরো ম্যাচজুড়ে ৬৮ শতাংশ বল দখলে রেখে এবং ২৩টি শট নিয়ে অস্ট্রিয়ান ডিফেন্সকে তছনছ করে দেয় লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। অন্যদিকে ৫টি শট নিয়ে একটিও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি অস্ট্রিয়া।
৩৬ মিনিটে কুকুরেয়ার পাস থেকে মিকেল ওয়ারজাবালের গোলে লিড নিয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে স্পেন। বিরতির পর ব্যবধান বাড়াতে মরিয়া স্প্যানিশরা ৬৬ মিনিটে দ্বিতীয় গোলের দেখা পায়। দানি ওলমোর আক্রমণ থেকে বল পেয়ে বক্সে দুর্দান্ত এক ক্রস বাড়ান অ্যালেক্স বায়ানা। দেরিতে বক্সে ঢুকে জোরালো হেডে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি করেন ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরো।
ম্যাচের একদম শেষদিকে, ৮৯ মিনিটে অস্ট্রিয়ার জালে শেষ গোলটি করেন সেই ওয়ারজাবাল। গোলকিপার উনাই সিমোনের পাস থেকে শুরু হওয়া আক্রমণে কুকুরেয়ার রক্ষণভেদী পাস ধরে, অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে চমৎকার ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন এই ফরোয়ার্ড। পুরো ম্যাচে মাত্র ৫টি শট নিতে পারা অস্ট্রিয়া স্পেনের এই টিকিটাকা ও গতির কাছে পুরোপুরি অসহায় আত্মসমর্পণ করে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিলো।
৮৯ মিনিট: স্পেন ৩-০ অস্ট্রিয়া
গোল! অস্ট্রিয়াকে পুরোপুরি ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়ে স্পেনের তৃতীয় গোলটি করলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। অস্ট্রিয়ান ডিফেন্সের অফসাইড ট্র্যাপ ভেঙে ভেতরে ঢুকে নিখুঁত টোয়ায় বল জালে জড়ান তিনি। এই গোলের মাধ্যমে নিজেদের শক্তির জানান দিয়ে দাপুটে জয়েই শেষ ১৬ নিশ্চিত করতে যাচ্ছে লা রোজারা।
৬৬ মিনিট: স্পেন ২-০ অস্ট্রিয়া
গোল! পেদ্রো পোরোর প্রথম আন্তর্জাতিক গোলে শেষ ১৬-র টিকিট প্রায় নিশ্চিত করে ফেললো স্পেন। দীর্ঘক্ষণ বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখার পর, বায়ানার চমৎকার এক পাসে আক্রমণের গতি বাড়ে। ওলমো শট নেয়ার চেষ্টা করলেও ডিফেন্ডারদের বাধায় বল আবার বক্সের বাঁ দিকে বায়ানার কাছেই ফিরে আসে। সেখান থেকে বায়ানার নিখুঁত ক্রস খুঁজে নেয় দেরিতে বক্সে ঢোকা পোরোকে। জোরালো হেডে বল জালে জড়াতে ভুল করেননি এই স্প্যানিশ ডিফেন্ডার। দারুণ এক গোল!
হাফ-টাইম: স্পেন ১-০ অস্ট্রিয়া
মিকেল ওয়ারজাবালের একমাত্র গোলে প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে গেছে স্পেন। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে কুকুরেয়ার বাঁ দিক থেকে বাড়ানো লো পাসে চমৎকার ফিনিশিংয়ে স্প্যানিশদের কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন ওয়ারজাবাল। চলতি টুর্নামেন্টে এটি তার তৃতীয় গোল।
পিছিয়ে পড়ে প্রথমার্ধের শেষদিকে কিছুটা চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করে অস্ট্রিয়া। ৪৩ মিনিটে জাভার শ্লাগার বক্সের বাইরে থেকে শট নিলেও, তা সরাসরি স্প্যানিশ কিপার উনাই সিমোনের গ্লাভসে জমা হয়।
তবে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ পায় স্পেন। প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে (৪৫+২ মিনিটে) অ্যালেক্স বায়ানার ২৫ গজ দূর থেকে নেয়া দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে লামিন ইয়ামালের নেয়া কোণাকুণি শট অস্ট্রিয়ান কিপার শ্লাগার দারুণভাবে রুখে দিলে ব্যবধান আর বাড়েনি। প্রথমার্ধে শুরু থেকেই আধিপত্য ধরে রেখে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই মাঠ ছেড়েছে লা রোজারা।
৩৬ মিনিট: স্পেন ১-০ অস্ট্রিয়া
গোল! দুর্দান্ত এক আক্রমণ থেকে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্পেনকে এগিয়ে নিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ম্যাচের শুরু থেকেই ছড়ি ঘোড়ানো স্প্যানিশরা অবশেষে তাদের কাঙ্ক্ষিত লিড পেয়ে গেল। অস্ট্রিয়ান গোলকিপারকে পরাস্ত করে জালের একদম নিচের কোণায়। এর আগে ফাউলের কারণে স্পেনের একটি গোল বাতিল হয়।
