কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেসের বর্ধিতকরণের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার দাবি

ফন্ট সাইজ:

কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ট্রেন ‘কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস’কে নেত্রকোণার জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন কিশোরগঞ্জবাসী। আন্দোলনের অংশ হিসেবে ‘আমরা কিশোরগঞ্জ জেলাবাসী’র ব্যানারে বৃহস্পতিবার বিকালে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

এ সময় শহরের ব্যবসায়ী মো. আবু সাঈদ, সহকারী অধ্যাপক ফরিদ আহাম্মদ, সাবেক কাউন্সিলর মো. সাইফুল ইসলাম, এনসিপি নেতা ইকরাম হোসাইন, ব্যবসায়ী খালেকুজ্জামান, তোফায়েল আহমেদ, সমাজকর্মী মোহাম্মদ মুরাদ ভূঁইয়া এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। কর্মসূচি চলাকালে কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি রেলস্টেশনে পৌঁছার পর আন্দোলনকারীরা প্ল্যাটফরমে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা ‘নেত্রকোণা যাবে না কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস’, ‘ষড়যন্ত্রের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘অবৈধ আবদার, মানি না মানবো না’ ইত্যাদি বিভিন্ন সেøাগান দেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৯শে নভেম্বর ঢাকা-কিশোরগঞ্জ রুটে দ্বিতীয় আন্তঃনগর ট্রেন হিসেবে ‘কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস’ যাত্রা শুরু করে। এর আগে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জবাসীর একমাত্র অবলম্বন ছিল আন্তঃনগর এগারোসিন্দুর এক্সপ্রেস। দু’টি আন্তঃনগর ট্রেনে কিশোরগঞ্জবাসীর রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় সীমাহীন দুর্ভোগের কারণে এই রুটে আরেকটি আন্তঃনগর ট্রেনের জন্য বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনাও দিয়েছেন। এ রকম পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ‘কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস’ ট্রেনটিকে নেত্রকোণার জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করার দাবি জানিয়েছেন।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন