সিলেটের কানাইঘাটে একদিনের ব্যবধানে দুইজন খুন হয়েছেন। বড়বন্দ তৃতীয় খণ্ড গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে জাহাঙ্গীর আলম নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এলাকাবাসী জানান, স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার বিষয়কে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের একপর্যায়ে ভায়রা ভাই ও তার স্বজনরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। গত মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে লক্ষ্মীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের করুনা সুন্দরী দীঘির পাশের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জাহাঙ্গীর আলম বড়বন্দ তৃতীয় খণ্ড গ্রামের মৃত মোসা. মিয়ার ছেলে। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নিজ বাড়ি থেকে বড়বন্দ বাজারে যাওয়ার পথে করুনা সুন্দরী দীঘির পাশে আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা শামীম উদ্দিন, তার ভাই ডালিম উদ্দিন ও নাইম উদ্দিন, ভাগ্নে তারেক আহমদ ও শাহেদ আহমদসহ কয়েকজন জাহাঙ্গীর আলমের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলাকারীরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বলে পরিবারের অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে, কানাইঘাট বাজারে সহপাঠীর স্ক্রুড্রাইভারের আঘাতে খুন হলেন আহাদ আহমদ নামে কিশোর। ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়। এর আগে রোববার রাত ৮টায় কানাইঘাট পৌরশহরের উপজেলা রোডস্থ তাজু নামের এক ব্যক্তির ওয়ার্কশপে এ ঘটনা ঘটে। সে ওই ওয়ার্কশপের কর্মচারি ছিল। নিহত আহাদ আহমদ কানাইঘাট পৌরসভার দলইমাটি গ্রামের রিকশাচালক সালেহ আহমদের পুত্র। পুলিশ জানায়, তার বন্ধু নামে পরিচিত সহপাঠী পৌরসভার রায়গড় গ্রামের এনাম উদ্দিন ভাণ্ডারির পুত্র সায়েম আহমদ রোববার রাত ৮টার দিকে ওয়ার্কশপে যায় এবং আহাদের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে তর্কবিতর্কে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় সায়েম আহমদ দোকানে থাকা একটি স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে আহাদের মাথায় আঘাত করলে সে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। দু’টি ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে।
