রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশ কিছু পণ্যের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন কাওরান বাজারের ব্যবসায়ীরা। এতে ব্যবসায়ীরা পণ্যপ্রতি ১ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন। গতকাল কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটে ইসলামিয়া শান্তি সমিতির আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম মিলন। ব্যবসায়ীদের ওই সংবাদ সম্মেলনে সংহতি প্রকাশ করে তিনি সেখানে উপস্থিত হন এবং রমজানের নিত্যপণ্যের দাম নাগালে রাখতে ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন।
এসময় ব্যবসায়ীরা সংসদ সদস্য মিলনের অনুরোধ রেখে প্রতি পিস লেবু ২ টাকা, তেল প্রতি লিটারে ১ টাকা, চিনি প্রতি কেজি ১ টাকা, ছোলা ২ টাকা, ট্যাং ২০০ গ্রাম প্যাকেটে ৫ টাকা, মাংস প্রতি কেজি ৩০ টাকা ও মিনিকেট চালের দাম প্রতি কেজি ১ টাকা কমিয়ে বিক্রির ঘোষণা দেন।
কাওরান বাজার পাকা মার্কেট আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সুজন বলেন, আমরা শ্রীমঙ্গল থেকে ১১ থেকে ১২ টাকা পিস লেবু কিনি। সেটা কাওরান বাজারে এনে ৫ ক্যাটাগরিতে আলাদা করে বিক্রি হয়। কিছু লেবু ৩-৪ টাকা বিক্রি হয়, আবার ভালো বড় লেবু দাম ১৭ টাকায়ও বিক্রি হয়। আমরা এখন থেকে প্রতি লেবুতে ২ টাকা কমিয়ে দেবো। অর্থাৎ যে লেবুর দাম ১৭ টাকা ছিল, সেটা ১৫ টাকায় বিক্রি হবে। তেল বিক্রেতাদের পক্ষে আঁখি এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, আমরা ৫ লিটার তেল ৯২০ টাকা বিক্রি করি। গায়ের দাম আরও বেশি, ৯৫০ টাকা। এখন থেকে প্রতি ৫ লিটারে আরও ৫ টাকা ছাড় দেয়া হবে।
কাওরান বাজারের কিচেন মার্কেটের সাংগঠনিক সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বলেন, চিনি প্রতি কেজি প্যাকেটের গায়ের দাম ১০৫ টাকা, যা ১০২ টাকায় আমরা কাওরান বাজারে বিক্রি করতাম, এখন থেকে ১০১ টাকায় বিক্রি করবো। কুমিল্লা স্টোরের গোফরান বলেন, এতদিন আমরা ছোলা ৮০ টাকা কিনে ৮৫ টাকা কেজি বিক্রি করেছি, এখন লাভ ২ টাকা কমিয়ে ৮৩ টাকায় বিক্রি করবো।
কাওরান বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারের সহযোগিতা চাইলেন মিলন
কাওরান বাজারে চাঁদাবাজি বন্ধে সংসদ সদস্য হিসেবে একার পক্ষে এটা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়, এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন। ব্যবসায়ীদের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিলন বলেন, কাওরান বাজারে চাঁদাবাজি এখন অনেক বড় ইস্যু। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পরে শুনছি, এখানে গেলে আমারও জীবনের ঝুঁকি আছে। সবাই বলে, ‘ডোন্ট গো উইথ চাঁদাবাজি। এটি বন্ধ করা অনেক কঠিন। দু’দিন আগে শুনলাম, এখানে কয়েকজন মুরগি ব্যবসায়ী মিলে এক চাঁদাবাজকে ৬০ লাখ টাকা দেয়। এটা অনেক বড় অঙ্ক। এগুলো কারা নিচ্ছে, সেসব সবাই জানে। এটা একা কেউ না, সবাই মিলে করতে হবে। মিলন বলেন, আমি এলাকায় নির্বাচিত হয়েছি, কিন্তু আমি তো লাঠিসোটা নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে নামতে পারবো না। এটা আমার কাজও না। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা লাগবে। সরকার ছাড়া সম্ভব নয়।

Ashik
৪ মাস আগেIt's also a part of SOMOJOTA - there is nothing to fixed .. just ensure it will be regular price , Now you increase Tk 5, offer at 6th Ramadan to reduce tk 1.... Ha ha ha ha ha...