কুড়িগ্রামের রৌমারীর সীমান্তঘেঁষা মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম লালকুড়া ঘাটের কাঠের সেতুটি পাহাড়ি ঢলে ভেঙে গেছে। ফলে চরম বিপাকে পড়েছেন ওই অঞ্চলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সেতুটি এই অবস্থায় পড়ে থাকায় এলাকার সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও কৃষকদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। সীমান্তঘেঁষা পূর্বাঞ্চলের ১২টি গ্রামের সঙ্গে উপজেলা সদরের যোগাযোগের জন্য সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে সেতুটির মাঝখানের একটি বড় অংশ ভেঙে ভেসে যায়।
ভুক্তভোগী জসিম উদ্দিন, বাবলু শেখ, আজিম উদ্দিনসহ অনেকে জানান, সেতুটির দু’ধারে সবকিছুই ঠিক আছে, শুধু মাঝখানটা একটু মেরামত করলেই এটি আবার যাতায়াতের উপযোগী হবে। সামান্য একটু কাজের অভাবে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, সেতুটি ভেঙে যাওয়ায় তারা তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারে বা উপজেলা সদরে নিয়ে যেতে পারছেন না।
ফলে অর্থনৈতিকভাবে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা। এলাকাবাসীর দাবি, বড় কোনো বরাদ্দের অপেক্ষা না করে জরুরিভিত্তিতে সেতুটির মাঝখানের অংশটুকু মেরামত করা হলে দ্রুত এই দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলাউদ্দিন বলেন, পানির স্রোতের তীব্রতা কিছুটা কমলে দু’এক দিনের মধ্যেই সেতুটি মেরামত করা হবে।
