মাঠে নামার আগে সব আলোচনা ছিল নেইমারকে নিয়ে। বেঞ্চে বসে আছেন ব্রাজিলের সর্বকালের সেরা গোলদাতা। ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টারের অভাব টের পেতে দিলেন না ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। সপ্তম মিনিটেই স্কটল্যান্ডের জালে বল জড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন, নেইমার না থাকলেও ব্রাজিল থামার পাত্র নয়। প্রথমার্ধ শেষে মিয়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ব্রাজিল এগিয়ে আছে ২-০ গোলে।
ম্যাচ শুরুর পর স্কটল্যান্ড সামলে নেওয়ার সুযোগটুকুও পায়নি। মাত্র ছয় মিনিটেই ঘটে যায় ঘটনাটা। স্কটল্যান্ডের গোলকিপার অ্যাঙ্গাস গান ডিফেন্ডার স্কট ম্যাককেনার উদ্দেশে বল পাঠান, কিন্তু ম্যাককেনা সেটা ঠিকমতো আয়ত্তে নিতে পারেননি। বল চলে যাচ্ছিল গানের দিকে, তবে সেই মুহূর্তে রায়ান শট নিলে বল ব্লক হয়। সুযোগ বুঝে ঝাঁপিয়ে পড়েন ভিনিসিয়ুস। বল পায়ে নিয়ে ফাঁকা পোস্টে অনায়াসে জমা করেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। এই বিশ্বকাপে তার তৃতীয় গোল। আগের দুই ম্যাচেও গোল পেয়েছিলেন তিনি।
প্রথম গোলের পর ব্রাজিলের আক্রমণের ঢেউ থামেনি। একসময় মনে হলো ভিনিসিয়াস দ্বিতীয় গোলও পেয়ে গেছেন। স্কোর ২-০ দেখাচ্ছিল। কিন্তু রেফারি ভিএআরে যান। দেখা যায়, গোলের আগে স্কটল্যান্ডের ডিফেন্ডার জ্যাক হেনরির কাছ থেকে বলটি অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ফলে গোলটি বাতিল হয়ে যায়। গ্যালারিতে ব্রাজিল সমর্থকদের মুখে হতাশার ছায়া। কিন্তু ভিনিসিয়াস থামার পাত্র নন। প্রথমার্ধের শেষে যখন সবাই বিরতির অপেক্ষায়, তখন ব্রুনো গিমারায়েস ক্রস বাড়ান বক্সের ভেতরে। উড়ে আসা বলে মাথা রাখেন ভিনিসিযয়ুস। গোলকিপারের কিছু করার ছিল না। বল সোজা জালে। স্কোর ২-০। এটি এই বিশ্বকাপে ভিনিসিয়াসের চতুর্থ গোল। ভিএআরে বাতিল হওয়া গোলের হতাশা মুহূর্তেই ভুলিয়ে দিলেন এই তারকা। গোলের পর উন্মাদনায় ভেসে গেল গ্যালারি।
প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে থাকা ব্রাজিল এখন নকআউটের দরজায় দাঁড়িয়ে। জিতলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই শেষ ৩২-এ উঠবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
