একটি তারার জ্বলে উঠার অপেক্ষা!

একটি তারার জ্বলে উঠার অপেক্ষা!

ফন্ট সাইজ:

এবারের ফিফা বিশ্বকাপ জমে ক্ষীর। কি হয়নি। গোলরক্ষকদের বীরত্ব,গোলবন্যা,তারকাদের জ্বলে উঠা—সবকিছুর স্বাক্ষী ফুটবলপ্রেমীরা। প্রতিটি ম্যাচেই নতুন গল্প, নতুন রেকর্ড। কোথাও অভিজ্ঞতার ঝলক, কোথাও তরুণদের দুরন্তপনা। ফুটবলের মহোৎসবে প্রতিদিন আলো ছড়াচ্ছেন তারকারা। কিন্তু এই আলোর ভিড়ে একটা অনুপস্থিতি যেন বারবার চোখে পড়ছে। নেইমার জুনিয়র। ব্রাজিলের সুপারস্টার। আজ রাতে দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামবেন তিনি। চোটের সঙ্গে লড়াই করা এই তারকার জ্বলে উঠার অপেক্ষায় বিশ্ব।

উনচল্লিশে পা দেয়া লিওনেল মেসি টানছেন আর্জেন্টিনাকে। দুই ম্যাচে ৫ গোল করে বসেছেন বিশ্বকাপ সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে চেনারূপে দেখা যায়নি পতুর্গালের পোস্টার বয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে স্বরূপে ফেরেন ৪০ বছর বয়সী তারকা। করেন জোড়া গোল। গতআসরের রানার্সআপ ফ্রান্সকে পথ দেখাচ্ছেন রিয়াল মাদ্রিদ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা নরওয়েকে নকআউটে তুলেছেন ম্যানচেস্টার সিটি তারকা আর্লিং ব্রুট হালান্দ। মিসরকে ঐতিহাসিক জয় এনে দিয়েছেন মোহাম্মদ সালাহ। লুইস দিয়াস, লামিন ইয়ামাল,কেভিন ড্রি ব্রুইনাসহ অনেকে আলো ছড়িয়েছেন। ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছেন। এত প্রাপ্তির মাঝেও রয়েছে শূণ্যতা। মেসি গোল করেছেন, রোনালদো করেছেন, এমবাপে-হালান্দও পিছিয়ে নেই। কিন্তু সেই তালিকায় এখনো নেই নেইমারের নাম। চোটের কারণে গ্রুপপর্বের শুরু থেকেই মাঠের বাইরে ব্রাজিলের এই সুপারস্টার। তার অনুপস্থিতি ব্রাজিলের খেলায় যেমন প্রভাব ফেলছে, তেমনি গোটা বিশ্বকাপের আলোচনায়ও একটা বড় জায়গা দখল করে আছে। সেই নেইমার আজ স্কটল্যান্ড ম্যাচ দিয়ে ফিরছেন। তেমন ইঙ্গিত দিয়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। যদি সেটা সত্যি হয় তবে সেটি হবে ব্রাজিলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্ত।

চারদিকে আলো, কিন্তু একটি তারা এখনো জ্বলেনি। নেইমার কি পারবেন সেই অপেক্ষার উত্তর দিতে? স্কটল্যান্ড ম্যাচই হয়তো দেবে সেই জবাব।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন