গোয়াইনঘাটে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১

ফন্ট সাইজ:

গোয়াইনঘাটের লেঙ্গুরা ইউনিয়নে পূর্ব বিরোধ ও শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে কামরুল ইসলাম নামীয় এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতাবস্থায় তারা পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহত কামরুল ইসলাম উপজেলার লেঙ্গুরা গ্রামের কুতুব আলীর ছেলে। সোমবার দুপুর ২টায় লেঙ্গুরা ইউনিয়নের লেঙ্গুরা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা পূর্ব বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নিহত কামরুল ইসলাম ও সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের নিকটাত্মীয়দের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এরই জের ধরে সোমবার দুপুরে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। জানা যায়, ঘটনার শুরুতে কামরুল তার অনুসারীদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সাবেক ইউপি সদস্য বিল্লাল হোসেনের মেয়ে মোসাম্মৎ রুকসানাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে বাম হাতে গুরুতর জখম করে। এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বিল্লাল হোসেনের লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিপক্ষ কামরুলের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালায়।

এ সময় তারা কামরুলকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হাত, পা ও গলায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করলে সে ঘটনাস্থলেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন আহতাবস্থায় কামরুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় বিল্লাল উদ্দিন, তার মেয়ে রুকসানা বেগম এবং জুনেদ আহমদকে থানা পুলিশের পাহারায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান জানান, লেঙ্গুরা গ্রামে পূর্ব বিরোধ ও শত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সৃষ্ট সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং কামরুল ইসলাম নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। তিনি বলেন, নিহত কামরুল পুলিশের তালিকাভুক্ত দাগি অপরাধী। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই দস্যূতাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলো সে। এই ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি তবে ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে আমাদের অভিযান শুরু হয়েছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন