আরো গোলের খোঁজে ব্রাজিল

সরাসরি

আরো গোলের খোঁজে ব্রাজিল

ফন্ট সাইজ:

৫৭ মিনিট: (ব্রাজিল ৩-০ হাইতি)
মার্কিনহোসের দুর্দান্ত লং ডায়াগনাল পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান ৪-০ করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করলেন ভিনিসিয়ুস। শুরুতে শট না নিয়ে বক্সের প্রান্ত ঘেঁষে ডান পায়ের বাঁকানো শটের জায়গা তৈরি করতে গিয়ে বলের নিয়ন্ত্রণ হারালেন রিয়াল মাদ্রিদের এই ফরোয়ার্ড।

হাফ টাইম: ব্রাজিল ৩-০ হাইতি)

কোনো রকম বেগ না পেয়েই প্রথমার্ধ শেষে ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সেলেসাওরা। ২০০২ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচের প্রথমার্ধেই তিন গোল দেয়ার কৃতিত্ব দেখালো ব্রাজিল।


৪৫+৩ মিনিট: (ব্রাজিল ৩-০ হাইতি)

লুকাস পাকেতার রক্ষণভেদ করা দুর্দান্ত পাস থেকে বল পেয়ে প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে ব্যবধান ৩-০ করলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। হাইতির রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে ভিনিসিয়ুসের গতি ও ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ে বিরতির ঠিক আগেই বড় ব্যবধানে এগিয়ে গেল ব্রাজিল।

৩৬ মিনিট: (ব্রাজিল ২-০ হাইতি)
ভিনি জুনিয়রের চমৎকার পাস থেকে বল পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করলেন মাথেউস কুনহা। কঠিন কোণ থেকে নিজের দুর্বল (বাঁ) পায়ে জোরালো শটে বল জালের ওপরের অংশে পাঠিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করলেন এই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড স্ট্রাইকার।

২৩ মিনিট: (ব্রাজিল ১-০ হাইতি)
মাথেউস কুনহার গোলে ডেডলক ভাঙলো ব্রাজিল। যদিও ক্রেডিট অনেকটাই ভিনিসিয়ুসের। বাঁ প্রান্ত থেকে দারুণভাবে নেয়া তার শটটি রুখে দেন হাইতি গোলকিপার। ফিরতি বলে প্রতিপক্ষ বাঁচানোর চেষ্টা করলে তা কুনহার পায়ে লেগে জালে জড়ায়।

১২ মিনিট: (ব্রাজিল ০-০ হাইতি)
রাফিনহা হাইতির জালে বল পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হলো। চমৎকার ফিনিশিং সত্ত্বেও লাইন্স ম্যানের পতাকা ওঠায় ডেডলক ভাঙতে পারলো না ব্রাজিল।


৪ মিনিট: (ব্রাজিল ০-০ হাইতি)

হাইতির ফুল-ব্যাক কার্লেন্স আরকুস ব্রাজিলের দগলাস সান্তোসকে দেরিতে চ্যালেঞ্জ করায় হলুদ কার্ড দেখলেন। ম্যাচের এত শুরুতে বুকিং খাওয়া এই ডিফেন্ডারের জন্য বড় চাপ হতে যাচ্ছে।


ব্রাজিল বনাম হাইতি একাদশ

নিজেদের প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোর পর আজ প্রথম জয়ের খোঁজে মাঠে নামছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করার পর আজ গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে হাইতির মুখোমুখি হচ্ছে সেলেসাওরা। অন্যদিকে, প্রথম ম্যাচে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ ব্যবধানে হারা হাইতির জন্য এই ম্যাচটি টুর্নামেন্টে টিকে থাকার লড়াই।

চোটের কারণে নেইমার এখনো দলের বাইরে থাকায় ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি তার আক্রমণভাগে খুব বেশি পরিবর্তন করেননি। প্রথম ম্যাচে খারাপ পারফর্ম করা ইগর থিয়াগোর জায়গায় আজ স্ট্রাইকার হিসেবে খেলছেন মাথেউস কুনহা। প্রথম ম্যাচে সংগ্রাম করা ক্যাসেমিরো এবং লুকাস পাকেতাকেও একাদশে ধরে রেখেছেন কোচ।

অন্যদিকে, হাইতি দলে একটি বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সান্ডারল্যান্ডের ফরোয়ার্ড উইলসন ইসিদোরকে বেঞ্চে রেখে আজ একাদশে সুযোগ দেয়া হয়েছে জসুয় ক্যাসিমিরকে।

ব্রাজিল একাদশ: অ্যালিসন বেকার (গোলকিপার), দানিলো, মার্কিনহোস, গ্যাব্রিয়েল মাগালায়েস, দানিলো সান্তোস, ক্যাসেমিরো, ব্রুনো গিমারায়েস, লুকাস পাকেতা, রাফিনহা, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, মাথেউস কুনহা।

হাইতি একাদশ: জনি প্লাসাইড (গোলকিপার), কার্লেন্স আরকুস, জেন ডেলক্রোয়া, রিকার্ডো অ্যাডে, মার্টিন এক্সপেরিয়েন্স, ড্যানলি জিন, জেন-কেভিন ডুভার্নে, লুইসিউস ডিডসন, জঁ-রিকনার বেলগার্ড, মন্ডি প্রুনিয়ার, ফ্র্যান্টজি পিয়েরোট।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন