মার্কিন বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

উহান ল্যাব স্ক্যান্ডাল

মার্কিন বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

ফন্ট সাইজ:

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রাক্তন প্রধান চিকিৎসা উপদেষ্টা অ্যান্থনি ফাউচি চীনের উহান শহরের একটি গবেষণাগারে অর্থায়ন করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (ডিএনআই) বিদায়ী প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তিনি দাবি করেন, উহানের যে ল্যাবটি থেকে কোভিড-১৯ মহামারির সূত্রপাত হয়েছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়, সেই ল্যাবেই ফাউচি অর্থায়ন করেছেন। তুলসীর বক্তব্য, এই অর্থায়ন মার্কিন করদাতাদের অর্থ ব্যবহার করে করা হয় এবং এটি ভাইরাস গবেষণার সঙ্গে সম্পর্কিত। তুলসী তার কার্যদিবসের শেষদিনে ‘নেভার-সিন-বিফোর’ নামে কিছু নথি সামনে এনেছেন।

যেখানে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত নতুন দাবি উঠে এসেছে। তার দাবি, ফাউচি মার্কিন করদাতাদের অর্থ থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যবহার করে চীনের উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে ব্যাট করোনাভাইরাস নিয়ে ‘ঝুঁকিপূর্ণ গেইন-অফ-ফাংশন গবেষণা’য় অর্থায়ন করেছেন। তুলসী বলেন, এই গবেষণাগুলো কোভিড-১৯ মহামারির উৎস নিয়ে চলমান বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা উহান ল্যাবের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। তার দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, অ্যান্থনি ফাউচি এবং কিছু প্রভাবশালী প্রশাসনিক কর্মকর্তা কোভিড-১৯ এর উৎস নিয়ে ‘ল্যাব-লিক তত্ত্ব’ আড়াল করতে চেষ্টা করেছেন এবং ভাইরাসটির প্রাকৃতিক উৎসের ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য প্রভাব খাটিয়েছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ফাউচি তার ঘনিষ্ঠ গবেষকদের মাধ্যমে গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের মূল্যায়নকে প্রভাবিত করেছেন এবং ভিন্নমতকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, অ্যান্থনি ফাউচি ২০২৪ সালে কংগ্রেসে দেয়া সাক্ষ্যে উহান বা অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে ভাইরাস গবেষণা নিয়ে যোগাযোগ অস্বীকার করে “ভুল তথ্য” দিয়েছেন। তুলসী অভিযোগ করেন, কোভিড-১৯ মহামারির সময় ফাউচি ও কিছু প্রশাসনিক নেতা “ডিপ স্টেট ধাঁচের কৌশল” ব্যবহার করে তথ্য আড়াল করেছেন এবং নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা নষ্ট করেছেন। তার ভাষায়, মহামারির সময় জনগণের কাছে সত্য আড়াল করা হয়েছে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করা হয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এসব অভিযোগের জবাবে অ্যান্থনি ফাউচির কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন