জামালপুরে দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, অপরজনের যাবজ্জীবন

জামালপুরে দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, অপরজনের যাবজ্জীবন

ফন্ট সাইজ:

জামালপুরে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যা ও কিশোরীকে ধর্ষণের পৃথক দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে সাজাপ্রাপ্ত দুইজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন-দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের সন্তান আলাল সেক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামি একই উপজেলার বাঘার চর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে রাজীব হোসেন। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০০৮ সালের ২৬শে মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রহিমপুর গ্রামে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবিতে মারধর করে গুরুতর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সেই মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান আসামি গৃহবধূর স্বামী আলাল সেক। এ ছাড়াও ৯জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। তবে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক রয়েছে আসামি আলাল সেক। অপরদিকে ২০১৫ সালের ৭ই জুন রাত দেড়টার দিকে দেওয়ানগঞ্জের বাঘার চরে দশম শ্রেণি শিক্ষার্থীর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজীব হোসেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাকচিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পড়ে। কিন্তু সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। পরদিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন