ময়মনসিংহের নান্দাইলে বিএনপি নেতা শহিদুজ্জামান মিল্টনের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি এবং মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বুধবার সকাল ১১টায় নান্দাইল পুরাতন বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শফিকুল জানান, তিনি নান্দাইল পৌরসভা এলাকায় অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার কাজী দেলোয়ার হোসেন ও তার পুত্রের কাছ থেকে ৩.২০ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। জমিটি নিজের নামে নামজারি ও খাজনা সম্পন্ন করে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু জমিতে কোনো মালিকানা না থাকা সত্ত্বেও নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শহিদুজ্জামান তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন।
তিনি অভিযোগ করেন, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মিল্টন প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে তার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করছেন। তবে প্রশাসনের তদন্তে প্রতিটি অভিযোগই ইতিমধ্যে মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরও বলেন, অভিযুক্ত মিল্টন এলাকায় অত্যন্ত প্রভাবশালী। চাঁদা না দিলে আমাকে জেল খাটানোর হুমকিও দিয়েছেন, যার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। তিনি এসব হয়রানির হাত থেকে রেহাই পেতে এবং জানমালের নিরাপত্তায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
চাঁদা দাবির বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বলেন, আমার পৈতৃক সম্পত্তি শফিকুল বেআইনিভাবে দখল করে নিয়েছেন। এ ছাড়া, সরকারি সম্পত্তি দখল করায় তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। সেই আইনি পদক্ষেপ থেকে বাঁচতেই তিনি আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন।
