বর্তমান সময়ে স্নাতক উত্তীর্ণরা চাকরি সংকটে ভুগছেন। ডিগ্রি নিয়ে চাকরি খুঁজে পেতে রীতিমত সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাদের। ঠিক একই সময়ে দেশটির চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস এবং বাণিজ্য সচিব পিটার কাইল ঘোষণা করলেন যৌথ ভিসা প্যাকেজ। ফ্রন্ট-লাইন বা অত্যাধুনিক প্রযুক্তির কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাজ্যে ধরে রাখতেই এই ঘোষণা।
গত ১০ ই জুন চ্যান্সেলর র্যাচেল রিভস এবং বাণিজ্য সচিব পিটার কাইল নতুন ভিসা অফারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। বুধবার ঘোষিত এই পরিকল্পনার অধীনে সরকার উচ্চ-প্রবৃদ্ধির কোম্পানিগুলোকে বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মী ও তাদের পরিবার আনার জন্য ভিসা শিথিলতাসহ বেশ কিছু অফার করা হয়েছে। ঘোষণায় বলা হয়েছে উচ্চ-প্রবৃদ্ধির কোম্পানিগুলো বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মী ও তাদের পরিবার আনার জন্য ভিসা খরচ মেটাতে পাবে ৫০০০ পাউন্ড, যা বছরে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত অনুদান দেবে। সরকার মনে করছে এই প্রকল্পটি, যা আন্তর্জাতিক ব্যবসাগুলোর জন্য স্পন্সর লাইসেন্সের আবেদনগুলোকেও দ্রুততর করবে, প্রযুক্তি ও ডিজিটাল, জীবন বিজ্ঞান এবং পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে বিশেষজ্ঞ নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করতে এবং প্রযুক্তি খাতে বিশ্বের শীর্ষস্থানে পৌঁছাতে সক্ষম হবে।
ভিসা ফি ফেরত স্কিম নিয়ে যা বলা হয়েছে , যোগ্য কোম্পানিগুলো তাদের বিদেশি কর্মীদের ভিসা আবেদনের খরচের জন্য কর্মী প্রতি সর্বোচ্চ ৫,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত সরকারের কাছ থেকে ফেরত দাবি করতে পারবে। কোনো একটি নির্দিষ্ট কোম্পানি এক বছরে সর্বোচ্চ ২৫,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত এই রিফান্ড সুবিধা পাবে। অর্থাৎ, একটি কোম্পানি বছরে সর্বোচ্চ ৫ জন শীর্ষ কর্মীর জন্য এই সুবিধা ভোগ করতে পারবে।
