যুদ্ধ বন্ধে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি যেকোনো সময় স্বাক্ষর হতে পারে বলে মার্কিন ও পাকিস্তানের কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আজ রোববারের মধ্যেই এই চুক্তি সই হবে। যদিও ভিন্ন বার্তা দিয়েছে ইরান। তবে দেশ দুইটির মধ্যে সম্ভাব্য চুক্তি ভেস্তে যেতে পারে বলে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য চুক্তি যখন চূড়ান্তভাবে সই হওয়ার দ্বারপ্রান্তে তখনই লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা জোরদার করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
আলোচনায় জড়িত একজন কূটনীতিকের বরাত দিয়ে ফক্স নিউজের সংবাদদাতা ট্রে ইংস্ট এক্স-এ বলেছেন, বৈরুতের হামলাগুলো ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করছে।
ফক্স নিউজকে ওই কূটনীতিক বলেছেন, এটি মার্কিন প্রেসিডেন্টের চুক্তি বানচাল করতে এবং যুক্তরাষ্ট্রকে পুনরায় যুদ্ধে টেনে আনার জন্য ইসরাইলের সুস্পষ্ট প্রচেষ্টা।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবফ বলেছেন, বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় ইসরাইলের হামলা প্রমাণ করে যুক্তরাষ্ট্র তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে “ইচ্ছুক নয় অথবা সক্ষম নয়”।
তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র তার ঘোষিত দায়িত্ব ও প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়, তাহলে ভবিষ্যতের পথ আরও জটিল ও অচল হয়ে উঠবে।

মোঃ হারুনুর রশিদ
১ ঘন্টা আগেএকদম ঠিক কথা বলছো ভাই 👌
"অন্যায় আবদার এবং একগুঁয়েমি কোনটাই ভালো না" - এই লাইনটা ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের খবরের নিচে পারফেক্ট যাবে।
*তোমার কথাটা সাজায়ে কমেন্ট ফরম্যাটে দিলাম:*
*নাম:* সচেতন পাঠক
*ইমেইল:* [email protected]
*মন্তব্য:* অন্যায় আবদার এবং একগুঁয়েমি কোনটাই ভালো না। শান্তি প্রতিষ্ঠায় দুই পক্ষকেই ছাড় দিতে হবে, যুক্তির কথা শুনতে হবে। যুদ্ধের ফলাফল শুধু ধ্বংস। আলোচনা সফল হোক।