বিশ্বকাপে গ্যালারি মাতালেন প্যারাগুয়ের স্বল্পবসনা যুবতী মারিসল ওলমেদো

বিশ্বকাপে গ্যালারি মাতালেন প্যারাগুয়ের স্বল্পবসনা যুবতী মারিসল ওলমেদো

ফন্ট সাইজ:

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই উন্মাদনা। খেলার মাঠে খেলেন খেলোয়াড়। আর গ্যালারিতে, গ্যালারির বাইরে এমনকি সীমান্তের বাইরে মাতোয়ারা দর্শক। তাদের মধ্যে কিছু দর্শক প্রতিবারই নজর কাড়েন। এবার এরই মধ্যে তেমনি নজর কেড়েছেন প্যারাগুয়ের সুপারফ্যান ও মডেল মারিসল ওলমেদো। শুক্রবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যখন তার দল মাঠে নামে, তখন ওলমেদো যৌন আবেদন নিয়ে হাজির হন মাঠে। তার শরীরের উপরে স্পর্শকাতর অংশ কোনোমতো ঢেকে ফেলেন ভিন্ন রকম এক অন্তর্বাসে। জাতীয় পতাকার রঙে সেই অন্তর্বাস তৈরি। লাল, সাদার মিশ্রণ। আর পরণে ছিল নীল রঙের টাইটস। গ্যালারির একেবারে উপরের দিকে অবস্থান নিয়ে তিনি সবার নজর কাড়েন। লস অ্যানজেলেসে অনুষ্ঠিত গ্রুপ-ডি’র ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র ৪-১ গোলে প্যারাগুয়েকে বিধ্বস্ত করে। দক্ষিণ আমেরিকার প্রতিপক্ষকে একপ্রকার উড়িয়ে দিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয় স্বাগতিকরা। প্যারাগুয়ের ডিফেন্ডার দামিয়ান বোবাদিলিয়ার আত্মঘাতী গোলের পর ফরোয়ার্ড ফোলারিন বালোগান জোড়া গোল করেন। ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে জিও রেইনা দারুণ এক গোল করে যুক্তরাষ্ট্রের জয়কে আরও উজ্জ্বল করে তোলেন।

গ্যালারি থেকে এই হতাশাজনক দৃশ্য দেখছিলেন মারিসল ওলমেদো। নিজের দেশের পতাকার রঙের পোশাক পরে উপস্থিত হওয়া এই মডেল ইতিমধ্যেই প্যারাগুয়ে দলের অন্যতম বড় সমর্থক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। সোফাই স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে দাঁড়িয়ে নাচতে থাকা নিজের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন তিনি। ভিডিওটির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সবকিছুর মধ্যেই তোমার পাশে আছি, আমার প্রিয় প্যারাগুয়ে।’

ওলমেদোর উদযাপনের সুযোগ খুব বেশি আসেনি। ম্যাচের ৭৩ মিনিটে মাউরিসিওর করা সুন্দর একটি গোলই ছিল প্যারাগুয়ের একমাত্র সান্ত্বনা। তবে সেটি কেবল ব্যবধান কমিয়ে ৩-১ করে। তখনই ম্যাচে প্যারাগুয়ের পরাজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়।

২০১০ সালের পর এটিই প্যারাগুয়ের প্রথম বিশ্বকাপ। নিজেদের দলকে সমর্থন জানাতে হাজার হাজার প্যারাগুইয়ান সমর্থক যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়েছেন। ইনস্টাগ্রামে ২ লাখ ২৫ হাজার অনুসারীর কাছে বিশ্বকাপ যাত্রার নানা মুহূর্ত তুলে ধরছেন মারিসল ওলমেদো। টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই তিনি লস অ্যানজেলেসে পৌঁছে হলিউডে অবস্থান নেন। তবে ইন্টারনেট তারকা হওয়ার আগে তার জীবন ছিল একেবারেই ভিন্ন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিশোরী বয়সে তিনি একটি পাথর খনিতে কাজ করতেন। গত বছর লা কুয়ার্তাকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ওলমেদো বলেন, ‘আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত হতে পেরে আমি সত্যিই সম্মানিত বোধ করি।’

জাতীয় দলের খেলা না থাকলে মারিসল সমর্থন করেন ক্লাব গুয়ারানিকে। প্যারাগুয়ের এই ঐতিহ্যবাহী ক্লাবটি দুইবার দেশের শীর্ষ লিগের শিরোপা জিতেছে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন