বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, পরিবেশ সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, সরকার ও বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ। সে কারণেই ২০২৬-২৭ সালের প্রস্তাবিত অর্থবছরে পরিবেশ খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাজেটে ৫ বছরে ২৫ কোটি নতুন বৃক্ষরোপণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, সবুজ কর্ম সংস্থান, এক শিশু এক গাছ, পরিবেশবান্ধব চাষাবাদসহ উপস্থাপিত পদক্ষেপে তারেক রহমান সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার ও লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়েছে। গতকাল দুপুরে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে কক্সবাজারে প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী অঙ্গীকার ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন করার পর পরই ধোবাউড়ায় জেলা পরিষদের ডাক বাংলো চত্বরে গাছের চারা রোপণ করে ময়মনসিংহ জেলায় জেলা পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সূচনা করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ আগামী ১৮০ দিনে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় জেলা পরিষদের নিজস্ব স্থাপনা ও প্রকল্পভুক্ত এলাকায় প্রাথমিকভাবে ১ হাজার ৫০০ ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করবে। এ উপলক্ষে ধোবাউড়ায় জেলা পরিষদ ডাক বাংলো প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত এক অনুষ্ঠানে প্রিন্স বলেন, দেশের অর্থনীতিবিদগণ প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে একটি চিন্তাশীল বাজেট, মানবিক অর্থনীতি গড়ার চেষ্টা, অর্থনীতিতে গতিশীলতা ও চাঞ্চল্য আনার জন্য সরকারের প্রচেষ্টা’ হিসেবে চিহ্নিত করলেও আমাদের বিরোধী নেতারা বাজেটকে ‘গণবিরোধী ও লুটপাটবান্ধব’ বলে আখ্যা দিয়ে প্রমাণ করেছেন তারা মানসিকভাবে অসুস্থ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বৃক্ষরোপণের এই কর্মসূচির আওতায় জেলার সকল উপজেলায় পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে এবং রোপিত চারাগুলোর নিয়মিত পরিচর্যার ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে।
ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদার সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অধ্যাপক আযহারুল ইসলাম কাজল, সদস্য সচিব আনিছুর রহমান মানিক, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল কাদের বক্তব্য রাখেন।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ, উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোয়াজ্জেম হোসেন খান লিটনসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের নেতৃত্বে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিরা ধোবাউড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বধ্যভূমি, কবরস্থান, শ্মশানঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বৃক্ষরোপণ করেন।
