আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স : শিশির মনির

আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স নয়, বাতিল হয়েছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স : শিশির মনির

ফন্ট সাইজ:

আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে বলে যে আলোচনা চলছে, তা সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন হাসপাতালটির আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিশির মনির। শুক্রবার সকালে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন।

শিশির মনির বলেন, কর্তৃপক্ষ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করেনি; বাতিল করেছে প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স।

তিনি বলেন, আদ-দীনের নামে দুটি পৃথক লাইসেন্স রয়েছে। এর মধ্যে একটি হাসপাতাল পরিচালনার জন্য, যার নম্বর HSM 4310058। ওই লাইসেন্সে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, এটি ‘to set up and run a hospital/clinic’-এর অনুমোদন। অন্যদিকে HSM 4510059 নম্বর লাইসেন্সটি দেওয়া হয়েছে ‘to set up and run a pathology center’ পরিচালনার জন্য।

শিশির মনিরের দাবি, গত ৪ জুন ২০২৬ তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করে, সেখানে স্পষ্টভাবে HSM 4510059 নম্বর লাইসেন্সের উল্লেখ করা হয় এবং ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়। পরে সময় বৃদ্ধির আবেদন করা হলে অতিরিক্ত ৪৮ ঘণ্টা সময় চাওয়া হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব দাখিল করা হয়।

তার মতে, পরবর্তীতে যে সিদ্ধান্তে লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে, সেখানেও ৩০ দিনের মধ্যে আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে—কোন লাইসেন্স বাতিল হয়েছে? হাসপাতাল পরিচালনার লাইসেন্স, নাকি প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স?

তিনি বলেন, নথিপত্র অনুযায়ী হাসপাতাল ও প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স দুটি পৃথক। কারণ দর্শানোর নোটিশে যে লাইসেন্স নম্বর উল্লেখ করা হয়েছে এবং যে লাইসেন্সের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটি প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স। ফলে আদ-দীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে বলে যে প্রচার হচ্ছে, তা নথিপত্রের সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, সেই প্রশ্ন এখন সামনে এসেছে।

এ প্রসঙ্গে শিশির মনির প্রশ্ন রাখেন, এটি কি প্রশাসনিক অবহেলা, নাকি সুচিন্তিত কোনো সিদ্ধান্ত? যদি অবহেলা হয়ে থাকে, তবে সেটি কী ধরনের অবহেলা—সাধারণ প্রশাসনিক ভুল, নাকি আরও গুরুতর কোনো ত্রুটি? এর উত্তর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই সবচেয়ে ভালো দিতে পারবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে জনমনে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা দূর করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রয়োজন। কারণ হাসপাতাল ও প্যাথলজি সেন্টারের লাইসেন্স পৃথক হওয়ায় কোন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেটি পরিষ্কার হওয়া জরুরি।

ট্যাগসমূহ:

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন