সম্পাদকীয় নোট

সম্পাদকীয় নোট

ফন্ট সাইজ:

যখন কোনো শিশু যৌন নির্যাতন, সহিংসতা কিংবা হত্যার মতো জঘন্য অপরাধের শিকার হয়, তখন তা শুধু একটি পরিবারকে নয়, সমগ্র সমাজকে গভীরভাবে আহত করে এবং রাষ্ট্রের ন্যায়বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়। শিশুদের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা একটি সভ্য ও মানবিক রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। আদালতের এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে নাগরিকমাত্রই একমত।

পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে পৈশাচিক নির্যাতন ও হত্যার নির্মমতায় পুরো দেশ স্তম্ভিত। এ ঘটনার দ্রুত বিচার রেকর্ড গড়েছে। তবে কথা থাকে, রায় বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে, কালক্ষেপণ নিয়ে। ইংরেজিতে একটি কথা আছে- জাস্টিস ডিলেইড, জাস্টিস ডিনাইড অথবা ‘বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে’। এ ঘটনায় এ কথাগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। দ্রুত রায়ে রেকর্ড হয়েছে, এখন প্রত্যাশা রায় বাস্তবায়নে পরবর্তী পদক্ষেপগুলো যত দ্রুত সম্ভব সম্পন্ন করা। পাশাপাশি ধর্ষণের দ্রুত বিচারের যে নজির সৃষ্টি হলো তা যেন সকল ক্ষেত্রেই কার্যকর হয় এমন প্রত্যাশা রইলো।

রামিসার মতো আর কোনো শিশুকে যেনো এ দেশে জীবন দিতে না হয়। কোনো অভিভাবককে যেনো তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগে কাল কাটাতে না হয়। কোনো পিতাকে যেনো তার সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে না হয়। এই দেশটা সকল শিশুর জন্য নিরাপদ বাসভূমি হোক। সবশেষে বিচারালয়, সরকার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সকলকে সাধুবাদ দ্রুত রায় দেয়ায়। আশা করি, বিচারের রায় দ্রুত বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে দেশে ন্যায়বিচারের পথ সুগম হবে; দৃষ্টান্ত স্থাপিত হবে।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন