বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কিশোরগঞ্জ জেলার সন্তান এডভোকেট আশরাফ জালাল খান মনন। গত ৪ঠা জুন ঘোষিত ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ এই পদে দায়িত্ব পাওয়ায় কিশোরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরেই সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, দপ্তর সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদগুলোকে দলীয় কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রভাবশালী পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। রাজনৈতিক মহলে এসব পদকে অনেকে ‘সুপার সেভেন’ হিসেবেও আখ্যায়িত করে থাকেন। সেই বিবেচনায় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন আশরাফ জালাল খান মনন।
ছাত্রজীবনে ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে তার। পরবর্তীতে বিএনপি’র বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে তিনি নিজেকে একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম এবং দলীয় কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে একাধিকবার কারাবরণও করতে হয়েছে তাকে। আইন পেশায় সুপ্রতিষ্ঠিত এডভোকেট আশরাফ জালাল খান মনন বর্তমানে দেশের সর্বোচ্চ আদালত হাইকোর্টে আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী হিসেবে বিএনপি’র দুর্দিনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
সাহিত্য ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় আশরাফ জালাল খান মনন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দল আমাকে যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পণ করেছে, তা আমি সততা, নিষ্ঠা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। এ দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে আমি দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের সহযোগিতা এবং দোয়া কামনা করছি। তিনি আরও বলেন, যুবদলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। জাতীয়তাবাদী আদর্শ ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সাহিত্য ও প্রকাশনা বিভাগের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার চেষ্টা থাকবে।
কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের নাগেরগ্রাম (খান বাড়ি) এলাকার সন্তান আশরাফ জালাল খান মননের এই পদপ্রাপ্তিতে জেলার রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অভিনন্দন জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, তার মেধা, সততা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আগামী দিনে যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলার নেতাকর্মীদের মতে, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন অকৃত্রিম ধারক ও বাহক হিসেবে আশরাফ জালাল খান মননের এই অর্জন কিশোরগঞ্জবাসীর জন্যও গৌরবের বিষয়। তারা তার সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
