‘আমি তখন দেশে ছিলাম না’

ফন্ট সাইজ:

গত ৭ই মে দৈনিক মানবজমিন-এ প্রকাশিত ‘অনুসন্ধানে চাঞ্চল্যকর তথ্য- তারেক রহমানকে কীভাবে গ্রেপ্তার এবং অমানুষিক নির্যাতন করা হয়’- শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং পরবর্তীতে ১০ই মে প্রকাশিত ‘খালেদাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ, সেনাবাহিনীর শীর্ষ দুই কর্মকর্তা হঠাৎ দৃশ্যপটের বাইরে’- প্রতিবেদনের একাংশের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা দিয়েছেন মেজর (অব.) সৈয়দ মনিরুল ইসলাম।

প্রতিবাদপত্রে তিনি বলেন, পত্রিকায় প্রকাশিত এই দু’টি প্রতিবেদনের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, কথিত প্রথম ঘটনার সময় ৭ই মার্চ ২০০৭ সাল থেকে পরবর্তী তিন-চারদিনের মধ্যে সংঘটিত হয়েছে। কিন্তু আমি ১লা ফেব্রুয়ারি সরকারি আদেশ বলে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় কাউন্টার টেররিজম প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ত্যাগ করি এবং টানা ৩৭ দিনের সফর শেষে ১০ই মার্চ বাংলাদেশে ফিরে আসি। পরবর্তীতে ১২ই মার্চ কর্মস্থলে যোগদান করি। অতএব ৭ই মার্চ ও পরবর্তী ৩-৪ দিনের ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

প্রতিবাদপত্রে তিনি আরও বলেন, কথিত দ্বিতীয় ঘটনার সময় ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে টানা কয়েকদিন। কিন্তু একই বছর ২২শে নভেম্বর থেকে ৫ই জানুয়ারি মোট ৪৫দিন হজের উদ্দেশ্যে আমি দেশের বাহিরে ছিলাম। পরবর্তীতে ৬ই জানুয়ারি আমি কর্মস্থলে যোগদান করি এবং ঘটনার সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই। মনিরুল ইসলাম উল্লিখিত ঘটনার সময় বিদেশে ছিলেন এমন কিছু নথিপত্রও পাঠিয়েছেন প্রতিবাদপত্রের সঙ্গে।
উল্লেখ্য যে, উল্লিখিত প্রথম সংবাদটিতে নাম আসার পর মনিরুল ইসলামের পাঠানো প্রতিবাদ ইতিমধ্যে মানবজমিন-এ প্রকাশিত হয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন