বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের মূর্ত ও বিমূর্ত প্রতীক। তিনি বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাস ও জনরাজনীতির ধারক, বাহক এবং বাস্তবায়নকারী। বাংলাদেশের ইতিহাসের ঘটনাপ্রবাহ এবং আদর্শিক চেতনা- উভয়েরই প্রতিফলন ঘটেছে তার জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্র পরিচালনায়। ভাগ্য, দায়িত্ববোধ, দেশপ্রেম ও জনগণের সমর্থন এবং ভালোবাসা শহীদ প্রেসিডেন্টকে রণ থেকে জন-তে পরিণত করেছিল।
মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে রোববার বিকালে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ জিয়ার শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে হালুয়াঘাটে দুইদিনের কর্মসূচি পালিত হয়। শনিবার উপজেলার ১২ ইউনিয়নে এবং পৌরসভার ৯ ওয়ার্ডে মসজিদে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
হালুয়াঘাট পৌর বিএনপি’র আহ্বায়ক হানিফ মোহাম্মদ শাকের উল্লাহর সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব আবু হাসনাত বদরুল কবীরের সঞ্চালনায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম এবং হালুয়াঘাট উপজেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক আসলাম মিয়া বাবুল।
এ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আমজাদ আলী, আবদুল হাই, আলী আশরাফ, কাজী ফরিদ আহমেদ পলাশ, মিজানুর রহমান, শফিকুর রহমান, উপজেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব জাকির মাহমুদ চঞ্চল প্রমুখ।স্মরণ সভায় প্রিন্স বলেন, আত্মনির্ভরশীল জাতি গঠনে শহীদ জিয়াউর রহমানের ভূমিকা ও অবদান নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। স্বাধীনতা যুদ্ধের রণাঙ্গন থেকে শুরু করে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। যুদ্ধের ময়দান থেকে রাজনীতির ময়দান- সর্ব ক্ষেত্রেই শহীদ জিয়া সফল ছিলেন।
সভাশেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
