খালি হাতে ফিরলো ইরান, কড়া অবস্থান কাতারের

খালি হাতে ফিরলো ইরান, কড়া অবস্থান কাতারের

ফন্ট সাইজ:

কাতারের দোহায় ইরানের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক সফর শেষ হয়েছে বড় ধরনের ব্যর্থতা দিয়ে। এই দলে নেতৃত্ব দেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের। সূত্রের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য প্রাথমিক সমঝোতা স্মারক সইয়ের সময় ইরান অবিলম্বে এবং শর্তহীনভাবে কাতারে থাকা প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার নগদ অর্থ মুক্ত করার দাবি জানায়। কিন্তু কাতার সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে।

তারা পুরো অর্থ নগদে না দিয়ে শুধু সীমিত পরিমাণ অর্থ ক্রেডিট আকারে ব্যবহারের সুযোগ দিতে রাজি হয়— যা দিয়ে ইরান কেবল কাতার থেকেই প্রয়োজনীয় পণ্য ও খাদ্যসামগ্রী কিনতে পারবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী আরও জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র এই অর্থ সরাসরি ইরানের হাতে না দেয়ার ব্যাপারে কড়া অবস্থান নেয়। ওয়াশিংটনের আশঙ্কা, নগদ অর্থ পেলে ইরান অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপ সামাল দেয়ার পাশাপাশি সামরিক ও কৌশলগত খাতে তা ব্যবহার করতে পারে। তাই অর্থের ব্যবহার সীমিত রাখার ওপর জোর দেয়া হয়। সূত্রের মতে, ইরান এই অর্থকে কোনো শর্ত ছাড়া নগদে পাওয়াকে আলোচনার পূর্বশর্ত হিসেবে ধরেছিল, কিন্তু কাতারের পাল্টা অবস্থান সেই কৌশলে বড় ধাক্কা দেয়।

এখন চুক্তি অনুযায়ী ইরান সরাসরি অর্থ ব্যবহার করতে পারবে না; বরং কেবল কাতারের বাজার থেকেই নির্ধারিত পণ্যের জন্য সীমিত ক্রেডিট ব্যবহার করতে পারবে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বৃহত্তর আঞ্চলিক কূটনৈতিক আলোচনা—যার মধ্যে হরমুজ প্রণালী ও সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির বিষয়ও রয়েছে—ক্ষতিগ্রস্ত না করতে এই আর্থিক মতবিরোধকে গোপন রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

ট্যাগসমূহ: