বাংলাদেশ সীমান্তে হুড়োহুড়ি, শুভেন্দুর কড়া বার্তা— জলদি ভাগো

বাংলাদেশ সীমান্তে হুড়োহুড়ি, শুভেন্দুর কড়া বার্তা— জলদি ভাগো

ফন্ট সাইজ:

সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের চিহ্নিত করে রাখার জন্য রাজ্যটির জেলায় জেলায় 'হোল্ডিং সেন্টার' তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এরপরেই বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে হাকিমপুর চেকপোস্টের কাছে মঙ্গলবার শত শত 'নথিহীন বাংলাদেশি' জড়ো হয়েছেন। তাদের মধ্যে আতঙ্ক-উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তারা সীমান্ত পার হওয়ার জন্য হুড়োহুড়ি শুরু করেছেন। বুধবার (২৭ মে) অনলাইন টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, গত সোমবার গভীর রাত থেকে নারী, পুরুষ ও শিশুরা ব্যাগ, কম্বল ও ট্রলি নিয়ে হাকিমপুর সীমান্ত চৌকিতে আসতে শুরু করে। তাদের আশা, গ্রেপ্তার হওয়ার আগেই ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) তাদের সীমান্তের ওপারে ফেরত পাঠিয়ে দেবে।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পরিবার নিয়ে রাজ্যটির দুর্গানগরে বসবাস করছিলেন রবি সর্দার। তিনি বলেন, বাংলায় সরকার বদলে গেছে। হয়রানি বা আটক হওয়ার আগেই আমরা বাংলাদেশে ফিরে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য নতুন করে সংগ্রাম শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া বলছে, পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজ্যে যে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিবর্তন ঘটেছে, হাকিমপুরের দৃশ্য তারই অন্যতম স্পষ্ট নিদর্শন।

রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারকালের পুরো সময়জুড়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও শুভেন্দু অবৈধভাবে বসবাসকারী বাংলাদেশি মুসলিম এবং রোহিঙ্গা অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন।

মঙ্গলবারও এক প্রশাসনিক বৈঠকের পর বক্তব্য রাখার সময় শুভেন্দু কূটনৈতিক ভাষা ব্যবহারের কোনো চেষ্টা করেননি। তিনি সরাসরি বলেছেন, জলদি জলদি ভাগো, অন্যথায় সরকার যা প্রয়োজন তা করবে।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, কেন আমরা আমাদের খাবার, বাড়ি এবং সম্পদ বিদেশিদের সঙ্গে সাথে ভাগ করব?

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএসএফ কর্মকর্তারা হাকিমপুরে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি। তবে বিস্তারিত তথ্য নথিভুক্ত করতে এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে রাজ্য পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেছেন।

সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, রাজ্য সরকার বাংলাদেশ সীমান্ত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শ করে সরাসরি পুশব্যাক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ইতিমধ্যে মালদা, লালগোলাসহ মুর্শিদাবাদের কিছু অংশে হোল্ডিং সেন্টার চালু হয়েছে।

Dupur

১ মাস আগে

Sob indian gulare a desh theke ber kora hok

Andalib

১ মাস আগে

জুলাই বিপ্লবের পর আওয়ামী লীগের হাজার হাজার নেতা কর্মী ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। তারা ছাড়া আর কোন বাংলাদেশী ভারতে আশ্রয় নিয়েছে বলে আমাদের জানা নেই।‌ ভারতে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের সবাইকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হোক।

Nam Nai

১ মাস আগে

Bangladesh Do not want these Indian Citizens inside BD, But we want Bangladeshi Shuvvendu Adhakari & his mother to return to Barishal for Qurbani

Tuheen khan

১ মাস আগে

নাসির উদ্দিন পা চাটারি বেয়াদপ একদা শিবির গেলা কৈ ? কথা কস না কিলা। ঠেকা, দেহি দেশের লাগি কি করস।

হেদায়েত উল্লাহ

১ মাস আগে

বাংলাদেশেও ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া কর্মরত ভারতীয় নাগরিকদের খুঁজে বের করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ফেরত পাঠানোর ব্যাবস্থা করা হউক।

মন্তব্য করুন