পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বন্ধু এবং একই পরিবারের চারজনসহ আটজন নিহত হয়েছে। রোববার টাঙ্গাইলের বাসাইল এবং ফরিদপুরের নগরকান্দায় এই দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। ফরিদপুর প্রতিনিধি জানান, ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ফরিদপুর ঢাকা মহাসড়কের শংকর পাশা নামক স্থানে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে এম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ জন নিহত হয়।
রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে ফরিদপুর থেকে ছেড়ে আসা বিআরটিসি’র যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মাদারীপুর থেকে ছেড়ে আসা এম্বুলেন্সের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই এম্বুলেন্সের ড্রাইভারসহ পথযাত্রী নিহত হয়। নিহতরা হলেন- জাহাঙ্গীর হোসেন ও আলমগীর হোসেন এবং তাদের দুই স্ত্রী খোরশেদা বেগম ও মাজেদা বেগম। তাদের সকলের বাড়ি মাদারীপুর জেলায়। খবর পেয়ে নগরকান্দা ও ভাঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ এসে লাশগুলো উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় নিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিআরটিসি বাস ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়ার উদ্দেশ্যে মাদারীপুর থেকে ছেড়ে আসা এম্বুলেন্সটির গতি অনেক বেশি ছিল। অতিরিক্ত গতির কারণে এতগুলো প্রাণ ঝরে গেল। নগরকান্দা থানার স্টেশন অফিসার মোহাম্মদ আক্তার হোসেন জানান, বেলা সোয়া ১১টার দিকে শংকরপাশায় সড়ক দুর্ঘটনার খবর পেয়ে আমরা উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় প্রেরণ করেছি।
সেখান থেকে ময়নাতদন্ত করে লাশের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে সড়ক দুর্ঘটনাটি কী কারণে হয়েছে তা তদন্ত শেষে বলা যাবে। বাসাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি জানান, টাঙ্গাইলের বাসাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই একজনসহ তিন বন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার বাসাইল ভাতকুড়া আঞ্চলিক সড়কের
কাশীল ইউনিয়নের বাংড়া কালীবাড়ি এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- বাংড়া মোড় এলাকার প্রবাসী রফিক মিয়ার ছেলে তাকবির মিয়া (১৬), পার্শ্ববর্তী বাড়ির শওকত আলীর ছেলে মো. লিমন (১৪) এবং সোলাইমনের ছেলে মো. সাইমন (১৪)। তারা তিন বন্ধুই করটিয়া এইচ এম ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় নিহতদের পরিবারের সদস্যরা মুহুর্মুহু মূর্ছা যাচ্ছেন। এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পুলিশ এবং পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টাঙ্গাইলগামী বেপরোয়া গতির একটি সিএনজি (নম্বরবিহীন) বাংড়া কালিগড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা তিনজন যাত্রীবাহী মোটরবাইক (টাঙ্গাইল-হ-৮৪৭৪)কে মুখোমুখি চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রবাসীর পুত্র তাকবির মিয়া মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় অপর দুইজনকে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক লিমনকে মৃত ঘোষণা করেন।
গুরুতর আহত সাইমনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তারও মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা। বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মৃতদেহের সুরতহাল তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়ার পর মামলা দায়ের করা হবে।

saon
১ মাস আগে''Gari''-r Speed Kamanor jonno ki Bangladesh-e 'Aayeen' nai ? Mataal, Kharaap ''Driver'' Baad daan.