আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির বৃত্তি নিয়ে মাঝপথে খেলা ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন শুটার শায়রা আরেফিন। গতকাল বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনে উপস্থিত হয়ে তিনি নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান। সম্ভাবনাময় এক ক্রীড়াবিদের এমন আচরণে হতাশা প্রকাশ করেছে বিওএ। শায়রার এই সিদ্ধান্তের পর ভবিষ্যতে বিদেশি বৃত্তির ক্ষেত্রে কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে সংস্থাটি। বিওএর মহাসচিব জোবায়েদুর রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, শায়রার কর্মকাণ্ডে তারা হতাশ। তার ভাষায়, মাঝপথে বৃত্তি ছেড়ে দিলে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে বৃত্তি দেওয়ার আগে ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক সই করানোর পরিকল্পনা রয়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতা না থাকলে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকানো কঠিন বলে মনে করছে বিওএ। এদিকে, শুটার কামরুন নাহারের এক বছরের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে জটিলতা এখনো কাটেনি। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে বুধবার শুটিং ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আলেয়া ফেরদৌসকে নিয়ে বৈঠক ডাকে বিওএ। তবে বৈঠকে কামরুন নাহার ও কোচ শারমিন আক্তার উপস্থিত থাকলেও আলেয়া ফেরদৌস অনুপস্থিত ছিলেন। ফলে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয় সভা। এ বিষয়ে উষ্মা প্রকাশ করে জোবায়েদুর রহমান রানা বলেন, তাদের ধারণা আলেয়া ফেরদৌস ইচ্ছাকৃতভাবে
সভায় আসেননি। পুনরায় আলোচনার চেষ্টা করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজনে বিষয়টি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কাছে নেওয়া হবে। দুই নারী শুটারকে ঘিরে তৈরি এই পরিস্থিতিকে দেশের শুটিং অঙ্গনের জন্য অস্বস্তিকর বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বৃত্তি ইস্যু ও ফেডারেশনের অভ্যন্তরীণ জটিলতা মিলিয়ে খেলাটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
মাঝপথে বৃত্তি ছাড়লেন শায়রা ক্ষুব্ধ বিওএ
স্পোর্টস রিপোর্টার
১৯ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার), ২০২৬
লিংক কপি হয়েছে!
ফন্ট সাইজ:
100%
