শেষ দিনে ৭৫ ওভার বোলিং করে বাংলাদেশকে জয়ের জন্য নিতে হতো ১০ উইকেট আর ডিফেন্ড করতে হতো ২৬৭ রান। শুরুটা ভালো হলেও মিডল অর্ডারে দাঁড়িয়ে গিয়েছিলেন পাকিস্তানের ব্যাটাররা। প্রথম ইনিংসে নিষ্প্রভ নাহিদ রানা অভিভূত হন তখন। একে একে ৫ উইকেট নিয়ে গুড়িয়ে দেন পাকিস্তানের মিডল আর লোয়ার মিডল অর্ডার। আর তাতে দেশের মাটিতে প্রথমবার পাকিস্তানকে হারিয়েছে বাংলাদেশ, ব্যবধান ১০৪ রান।
গতকাল মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১২১ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর খোলসে ঢুকে যান পাকিস্তানের ব্যাটাররা। তবে তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি, নাহিদের একের পর এক গোলার মতো ডেলিভারি উড়িয়ে দিয়েছে তাদের ব্যাটিং লাইন আপ। ৪৫তম ওভারে আক্রমণে ফিরে আবার তাণ্ডব চালান নাহিদ নিজের টানা তিন ওভারে মাত্র ৫ রান দিয়ে তুলে নেন সোদ শাকিল, মোহাম্মদ রিজওয়ান আর নোমান আলীর উইকেট। ওই সময়েই মূলত বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত হয়ে যায়। শেষটাও করেন নাহিদ, ৫৩তম ওভারে শাহিন শাহ আফ্রিদিকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের জয় নিশ্চিতের সঙ্গে পূর্ণ করেন ফাইফারও।
সবমিলিয়ে এদিন পাকিস্তানের বিপক্ষে চতুর্থ ইনিংসে ৯.৫ ওভার বোলিং করে ৪০ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন নাহিদ। টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম পেসার হিসেবে টেস্ট ম্যাচের চতুর্থ ইনিংসে ৫ বার তার বেশি উইকেট নিলেন এই ডানহাতি পেসার। এর আগে চতুর্থ ইনিংসে ফাইফার নেয়া ৫জনই ছিলেন স্পিনার, তাইজুল ইসলাম, এনামুল হক জুনিয়র, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। সবচেয়ে বেশি ৪ বার চতুর্থ ইনিংসে ফাইফার নিয়েছেন মিরাজ।
