নেপালে ক্রমশ বাড়ছে ক্রিকেটের উন্মাদনা। তাতে নতুন মাত্রা যোগ করতে কাঠমান্ডুর সবুজ গালিচায় পা রাখতে পারে ইংল্যান্ড দল। ২০২৭-৩১ সালের আন্তর্জাতিক চক্রে প্রথমবারের মতো নেপাল সফরের জোরালো সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। পরিকল্পনাটি শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হলে নেপালের ক্রিকেট ইতিহাসে এটিই হবে কোনো পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সফর।
চলতি বছরের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ে ইংল্যান্ড ও নেপালের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই ক্রিকেটবিশ্ব দারুণভাবে উপভোগ করেছে। গ্যালারিজুড়ে নেপালি দর্শকদের সেই গর্জন এবং ইংলিশদের একদম শেষ মুহূর্তের ঘামঝরানো জয়—সব মিলিয়ে দারুণ এক ম্যাচ উপভোগ করেন ভক্তরা। জানা গেছে, সেই ম্যাচের পরপরই নেপাল ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (ক্যান) সচিব পারস খডকা ভারতের মাটিতে ইসিবির কর্তাদের সঙ্গে একান্তে বৈঠক করেছেন।
নেপাল অধিনায়ক রোহিত পাউঢেলের কন্ঠেও এখন রোমাঞ্চের সুর। তিনি বলেন, ‘ইংল্যান্ড বা অস্ট্রেলিয়ার মতো দল যদি নেপালে আসে, তবে বিশ্বক্রিকেটে আমাদের সক্ষমতার নতুন বার্তা পৌঁছাবে।’ উল্লেখ্য, গত বছরই সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চমক দেখায় হিমালয়ের দেশের ছেলেরা।
ইসিবি সূত্রের খবরে ইএসপিএন জানিয়েছে, ভারতের মতো বড় কোনো সিরিজের আগে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নেপালে দুই বা তিন ম্যাচের একটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ আয়োজন করা হতে পারে। এতে ঠাসা সূচির মধ্যেও নেপাল ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হবে। আয়ারল্যান্ড ইতিমধ্যেই নেপালের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্বের চুক্তি সেরেছে। এখন অপেক্ষা ক্রিকেটের অন্যতম শক্তিধর দল ইংল্যান্ডের।
