লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। মানবতাবিরোধী এই হামলায় অন্তত ২০জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম (এনএনএন)। নিহতদের মধ্যে একজন বেসামরিক উদ্ধারকর্মীও রয়েছেন। আগামী ১৪ ও ১৫ই মে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।
তার আগেই নতুন এই হামলা পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলের তুরা শহরে ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ২ নারীও রয়েছেন। এছাড়াও আহত হয়েছেন আরও ৮ জন। এনএনএন জানায়, নাবাতিয়েহ, বিনতে জুবেইল ও সাইদা জেলার বিভিন্ন এলাকাতে হামলা চালানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও দক্ষিণ লেবাননে সংঘর্ষ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।
শুক্রবার হিজবুল্লাহ জানায়, ইসরাইলি হামলায় তাদের এক শীর্ষ কমান্ডার নিহত হওয়ার জবাবে তারা ইসরাইলের একটি সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সংগঠনটির দাবি, নাহারিয়া শহরের দক্ষিণে অবস্থিত একটি সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তারা বলেছে, এটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব।
আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ইসরাইল, লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে নতুন দফা আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন শুক্রবার প্রতিনিধিদলের প্রধান সাইমন কারামের সঙ্গে বৈঠক করেন। প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানিয়েছে, বৈঠকে আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় লেবানন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রতিনিধিদের বৈঠকের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
