৯ই মে ২০২৬ রবীন্দ্রজয়ন্তীতে কলকাতার ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে সকাল ১০টায় পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং এনডিএ শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত থাকবেন। দিনটি রবীন্দ্রজয়ন্তী। শপথকে ঘিরে হিংসাদীর্ণ পশ্চিমবঙ্গের পটভূমিতে প্রতীকের রাজনীতি ও মানবতাবাদের অপমান নিয়ে কথা বলেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মাহফুজ পারভেজ। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন প্রভাষক মেশকাত কবির আজাদ।
প্রশ্ন: রবীন্দ্রজয়ন্তীতে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি’র নবগঠিত সরকার শপথ নিতে যাচ্ছে-এটিকে রাজনীতির অধ্যাপক, হিসেবে আপনি কীভাবে দেখেন?
উত্তর: প্রশ্নটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। দেখুন, ব্যাপারটি সোজা নয়। একদিকে রয়েছে রবীন্দ্রনাথ-যিনি মানবমিলনের প্রতীক, অন্যদিকে রয়েছে এমন একটি রাজনৈতিক শক্তি, যার পথচলা জুড়ে বিভাজন ও সামপ্রদায়িক অভিযোগ। ২৫শে বৈশাখের শপথকে তাই আমি কেবল একটি রাজনৈতিক ঘটনা হিসেবে দেখি না; এটি একটি দার্শনিক প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। কবির জন্মদিনে ক্ষমতার শপথ-এ কি সত্যিই রবীন্দ্রচেতনার সঙ্গে মিলে যায়? নাকি এটি কেবল একটি সাংস্কৃতিক প্রতীকের দখল? আমার উত্তর হবে, প্রতীক গ্রহণ করলেই আদর্শ ধারণ করা হয় না। রবীন্দ্রচেতনার বিচার হয় আচরণে, প্রতীকের পূজায় নয়।
প্রশ্ন: আপনি ‘বিভাজন ও সামপ্রদায়িকতা’ বললেন। কিন্তু বিজেপি কি বারবার দাবি করে না যে, তারা ‘সবাইকে নিয়ে’ কাজ করে? রবীন্দ্রনাথের ‘মিলনের’ বাণীকে তারা কীভাবে গ্রহণ করতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
উত্তর: দলটির কথায় একটা সূক্ষ্ম কৌশল আছে। রবীন্দ্রনাথের ‘মিলন’ বলতে বোঝাতেন সমতার ভিত্তিতে সব মানুষের স্বাভাবিক সহাবস্থান-ধর্ম, জাতি, বর্ণ নির্বিশেষে। কিন্তু বিজেপি’র ‘সবাইকে নিয়ে’ বলতে বোঝায় ‘হিন্দুত্বের ছাতার নিচে সবাই, কিন্তু বিজেপি’র সেই ছাতার তলার এককোণে সংখ্যালঘুরা থাকবে শর্তসাপেক্ষে’। এ দুইয়ের মধ্যে ফারাক আকাশ-পাতাল। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘মানুষের সত্য পরিচয় তার বিভাজনে নয়, তার মিলনে’। এই মিলন কখনোই সংখ্যাগরিষ্ঠের একচ্ছত্র আধিপত্য নয়। বরং এটি একটি আত্মিক বন্ধন। বিজেপি যদি সত্যিই রবীন্দ্রনাথকে ধারণ করতে চায়, তাহলে তাদের প্রথমে ছাড়তে হবে সংখ্যালঘু ‘অন্য’ তৈরির মানসিকতা। ‘ঘর ওয়াপসি’, ‘লাভ জেহাদ’, ‘ধর্মান্তরকরণ’-এসব শব্দচারণা রবীন্দ্রচেতনার সম্পূর্ণ বিপরীতে দাঁড়ায়। রবীন্দ্রনাথ স্পষ্ট বলেছিলেন, ‘যে জাতি মানুষকে মানুষ বলে স্বীকার করে না, সেই জাতির উন্নতি হয় না’। আজ নির্বাচনী হিংসাদীর্ণ পশ্চিমবঙ্গে যে মানুষ পুড়ছে, যাদের বাড়িঘর ভাঙছে, যাদের মসজিদের সামনে গেরুয়া পতাকা ওঠানো হচ্ছে-তাদের কথা কি এই বিজেপি ভাবে? তাহলে তারা কোন মিলনের গান গায়?
প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রশ্নটা করতেই হয়। ২০২৬ সালের এই নির্বাচন নিয়েই যথেষ্ট বিতর্ক আছে- ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ, প্রশাসনিক চাপ, সাংবিধানিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন। এই অবস্থায় গঠিত সরকার কি সাংবিধানিক বৈধতা দাবি করতে পারে? আপনার মূল্যায়ন কী?
উত্তর: আইনের চোখে ভোটের মাধ্যমে একবার সরকার গঠিত হয়ে গেলে তাকে ‘সরকার’ বলেই মানতে হয়। কিন্তু এখানে প্রশ্নটি সরকারের ‘নৈতিক বৈধতা’ নিয়ে। রবীন্দ্রনাথ শুধু আইন মানেননি, তিনি মানতেন ‘ন্যায়’। তিনি ‘সত্যের মূল্য’ কবিতায় লিখেছেন, ‘যা অন্যায় অবলম্বনে গড়া, তা কখনো ধর্মের আসনে বসতে পারে না’। ভেবে দেখুন, যে নির্বাচনে ভোটার বাদ দেয়া হয়েছে, যেখানে বুথ দখলের অভিযোগ আছে, যেখানে প্রশাসনের পক্ষে বিরোধী দলের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছে-এই প্রক্রিয়ায় জন্ম নেয়া সরকারের পক্ষে ‘জনগণের সরকার’ হওয়া কতোটা সঙ্গত বলা যায়? সাংবিধানিক কাঠামোর ভেতরে থেকে হয়তো তারা বৈধ। কিন্তু রবীন্দ্রনাথের ‘নৈতিক বিবেকের’ কাঠামোয় তারা অপরাধী। তিনি বলেছিলেন, ‘সত্য পথ ভুলিয়া যদি কেউ লক্ষ্যপানে ধায়, তবে লক্ষ্যও সত্য থাকে না’। তাই তাদের এই শপথ তার নিজের চরিত্রেই প্রশ্নবিদ্ধ।
প্রশ্ন: আপনি ‘হিংসাদীর্ণ পশ্চিমবঙ্গ’ কথাটি ব্যবহার করেছেন। সমপ্রতি বিভিন্ন জায়গায় সামপ্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটেছে-শঙ্করপাড়া, বাসিরহাট, রানাঘাট আরও বহু স্থানে। বিজেপি অভিযোগ করে এসব ‘দলিত নির্যাতন’ বা ‘উস্কানিমূলক’ ঘটনা। রবীন্দ্রনাথের মানবতাবাদ এই হিংসার বিচার কীভাবে করে?
উত্তর: খুব গভীর প্রশ্ন করেছেন। তবে, রবীন্দ্রনাথের ‘মানুষের ধর্ম’ পড়লে আমরা দেখি, তিনি ধর্মের নামে কোনো হিংসাকে সমর্থন করেননি। তিনি পৃষ্ঠা ১৭ কলাম ৪
লিখেছিলেন, ‘হিংসার বাষ্পে আকাশ করে মলিন, ধরণী করে রুক্ষ্ম’। এখন শঙ্করপাড়া হোক বা বাসিরহাট- যেখানেই একজন মানুষ আরেকজনের ধর্মের কারণে নির্যাতিত হয়, সেটাই সামপ্রদায়িক হিংসা। আর এই হিংসার কোনোটাই যদি কোনো সরকারি দলের সমর্থন পায়-সরাসরি নয়, নীরবতায়ও-তবে সেটা রবীন্দ্রচেতনার সরাসরি লঙ্ঘন। রবীন্দ্রনাথ নিজে সামপ্রদায়িক দাঙ্গার সময় নীরব থাকার ঘোর বিরোধী ছিলেন। আজকের বিজেপি যদি সংখ্যালঘু পাড়ায় হামলার সময় নীরব থাকে, অথচ প্রতিটি বিতর্কিত ভিডিওকে ‘এডিটেড’ বলে উড়িয়ে দেয়-তবে তারা মানবতাবাদ ধারণ করে না, তারা ধারণ করে ঘৃণার রাজনীতি। আর রবীন্দ্রনাথ সেই ঘৃণার বিরুদ্ধে সারা জীবন লড়েছেন। ‘চার অধ্যায়’ উপন্যাসে তিনি দেখিয়েছেন কীভাবে সশস্ত্র প্রতিশোধের পথও পবিত্র নয়। আজকের পশ্চিমবঙ্গে যখন রাজনৈতিক সহিংসতায় মরছে মানুষ, তখন সেটা যে পক্ষই করুক না কেন-রবীন্দ্রচেতনা তার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে।
প্রশ্ন: রবীন্দ্রনাথের ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’ কবিতাটি জাতীয় স্তোত্র হিসেবে গৃহীত। সেখানে তিনি ভয়মুক্ত সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলেন। আজ পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু, মুক্তবুদ্ধির মানুষ, সাংবাদিক, লেখক-অনেকে ভয়ে আছেন। এই ভয়ের পরিবেশ কি রবীন্দ্রচেতনার পরিপন্থি?
উত্তর: নিঃসন্দেহে। ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য’-রবীন্দ্রনাথের এই চারটি শব্দ আমাদের রাজনীতির প্রতিটি স্তরের জন্য নির্দেশনা। তিনি চেয়েছিলেন মানুষ যেন রাষ্ট্রের কাছে ভয় না পায়, বরং রাষ্ট্র যেন মানুষের সেবক হয়। কিন্তু আজ যে পরিবেশ- গোয়েন্দা সংস্কৃতি, মামলার ভয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় পুলিশি নজরদারি, মুখ বন্ধ করে দেয়া বুদ্ধিজীবীদের নীরবতা-এটা সম্পূর্ণ ভয়ভিত্তিক সমাজ। রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘ভয় যার নেই, সেই বীর-ভয় যার আছে, সে দুর্বল’। যদি রাষ্ট্র নিজেই ভয় তৈরি করে, তবে সেই রাষ্ট্র দুর্বল মানুষের শোষক। আর বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই ভয়ের কাঠামো যে আরও শক্ত হবে-এটা কি আমরা ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের অভিজ্ঞতায় দেখছি না? ভিন্নমতের ওপর চাপ, বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্ত আসরে হস্তক্ষেপ, নির্দিষ্ট ইতিহাসকে, বিশেষত মুসলিম ঐতিহ্যকে শিক্ষাক্রম থেকে বাদ দেয়া-এসব রবীন্দ্রচেতনার পরিপন্থি। একটি জাতি তখনই উন্নত হয় যখন তার নাগরিক ভয়হীন চিত্তে নিজের মত প্রকাশ করতে পারে। আজ পশ্চিমবঙ্গের চিত্তপ্রাঙ্গণে যে ভয়ের কালো ছায়া নামছে, তার প্রধান পৃষ্ঠপোষক যারা, তারা যদি রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শপথ নেয়-এটা হবে চরম বিদ্রূপ ও প্রহসন।
প্রশ্ন: আপনি একজন কবিও। রবীন্দ্রনাথকে যদি একজন কবির কাছ থেকে মূল্যায়ন করি, তাহলে তিনি কি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে থাকতে পারতেন?
উত্তর: (হাসি) দারুণ প্রশ্ন। রবীন্দ্রনাথ নিজে কখনোই কোনো রাজনৈতিক দলের ‘মেম্বার’ ছিলেন না। তিনি সমালোচনা করেছেন কংগ্রেসেরও, সমালোচনা করেছেন স্বদেশি আন্দোলনেরও। তিনি ছিলেন দলীয় সংকীর্ণ বৃত্তের ঊর্ধ্বে। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি কোনো দলের লোক নই, আমি সত্যের লোক’। তাই আজ কেউ যদি রবীন্দ্রনাথকে ধারণ করতে চায়, তাকে প্রথমে দলের চেয়ে সত্যকে বড় করে দেখতে হবে। কিন্তু বিজেপি কি সত্যকে বড় দেখে? বরং তারা ‘বলবান’কে দেখে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, ‘যে বলবান, সেই সত্য-এ কথা মানি না। সত্য সত্য, বলবান বলবান, এ দুই স্বতন্ত্র’। আজকের হিন্দুত্ববাদী শক্তি সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও বলপ্রয়োগের জোরে নিজেদের সত্য বলে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। রবীন্দ্রনাথ সে পথের কঠোর বিরোধী। তাই একজন কবি হিসেবে আমি বলবো, রবীন্দ্রনাথকে ধারণ করার দাবি যত বেশি করবে বিজেপি, তত বেশি তাদের কর্মকাণ্ডে ফাঁক ধরা পড়বে। কারণ রবীন্দ্রনাথ সহজ মানুষ নন-তিনি বিবেকের আগ্নেয় পরশ। সেই আগুনে পুড়ে যাবে যেকোনো সামপ্রদায়িক বিভাজন।
প্রশ্ন: তাহলে আপনার মতে, ২৫শে বৈশাখের শপথকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? ‘প্রতীকের সত্য’ নাকি ‘ব্যবধান’?
উত্তর: সোজা উত্তর-এটি ব্যবধান, মিলন নয়। মিলন তখন হতো যদি বিজেপি প্রথমে স্বীকার করতো তাদের ভুল, সংখ্যালঘু ও প্রান্তিকের নির্যাতন বন্ধ করতো, মুক্তচিন্তার পরিবার গড়তো, ধর্মের নামে বিভেদের রাজনীতি ছাড়তো। কিন্তু তারা তা করেনি। তারা বেছে নিয়েছে হিন্দুত্বের উগ্রপথ। সেই পথে রবীন্দ্রনাথের প্রদীপ কখনোই আলো দেবে না-বরং সেই প্রদীপ তাদের অন্ধকার উন্মোচন করবে। তাই তাদের শপথ হবে এক গ্লানির শপথ, অভিশপ্ত শপথ-যে শপথ কবির নামের সঙ্গে আরোপিত এক খণ্ডকালীন প্রতীক মাত্র। রবীন্দ্রচেতনার চিরন্তন সত্য তো বলেই দিয়েছে: ‘মানুষের সত্য পরিচয় তার বিভাজনে নয়, তার মিলনে’। আর বিজেপি আজ দাঁড়িয়েছে বিভাজনের চূড়ায়। তাই মিলনের দ্বার তাদের জন্য আজ চিরবন্ধ।
প্রশ্ন: এই পরিস্থিতিতে বাঙালির কর্তব্য কী? রবীন্দ্রচেতনাকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখতে হবে?
উত্তর: বাঙালিকে ফিরে যেতে হবে রবীন্দ্রনাথের সেই কঠিন সময়গুলোতে-যেখানে নীরবতা ছিল পাপ। বাঙালিকে শিখতে হবে প্রতিরোধের ভাষা। রবীন্দ্রনাথের ‘প্রশ্ন’ কবিতায় আছে-‘তোমার কাছে এদের সার্থকতা কী করে? যারা অন্ধকারে আলো লুকায়, যারা রাখে না সত্যের মূল্য?’ বাঙালিকে প্রতিদিন এই প্রশ্ন করতে হবে ক্ষমতাসীনদের। বিশ্ববিদ্যালয়ে, সাংস্কৃতিক আসরে, রাস্তায়, ঘরে ঘরে-সর্বত্র রবীন্দ্রচেতনার অনুষ্ঠান আয়োজন করলেই হবে না। বরং দরকার রবীন্দ্রনাথের দর্শনকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিফলিত করা। দুর্বল, প্রান্তিক ও সংখ্যালঘুর পাশে দাঁড়ানো, সামপ্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ করা, পুলিশি জুলুমের বিরুদ্ধে কণ্ঠ তোলা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা অব্যাহত রাখা-এই কাজগুলোই হচ্ছে সত্যিকারের রবীন্দ্রচেতনা ধারণ করা। ২৫শে বৈশাখের শপথ তারা নিক। কিন্তু বাঙালি যদি নীরব না হয়, যদি তার চিত্ত ভয়শূন্য হয়, তবে ঐ শপথের সেদিনও কবির প্রদীপ জ্বলবেই-আর কবির সেই প্রদীপ বাঙালিকে পথ দেখাবে এক মানবিক বাংলার, যেখানে বিভাজন নয়, থাকবে কেবল মিলন ও সমপ্রীতি। রবীন্দ্রনাথ তাই অমর-ক্ষমতার শপথে নয়, মানুষের ভালোবাসায়। এটি বাঙালির অস্ত্র, আশা ও প্রতিজ্ঞা।

Akhlaqur chowdhury Rahman Anonymous
১ মাস আগেWith dew respect i will request the writer he should read all the books of late robi thakur if he wrote any things of any other believer except Hinduism,thanks