আমিও হাত মেলাতে মরিয়া ছিলাম না: সালমান আলী আঘা

আমিও হাত মেলাতে মরিয়া ছিলাম না: সালমান আলী আঘা

ফন্ট সাইজ:

এশিয়া কাপে গত বছর ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে টসের সময় দু’দলের অধিনায়কের হার না মেলানো নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। এ বিষয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আঘা। স্বদেশী টিভি চ্যানেল এআরওয়াই-এর এক পডকাস্টে তিনি জানালেন, ফটোশুটে সৌজন্য দেখালেও মাঠে ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের অমন আচরণে বিস্মিত হন তিনি।

ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে সালমান বলেন, ‘টুর্নামেন্টের আগে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে (সূর্যকুমারের সঙ্গে) করমর্দন হয়। ট্রফি ফটোশুটের সময়ও আমরা করমর্দন করি। তাই আমি যখন টসের জন্য যাই, আমি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ছিলাম। অবশ্যই আমার একটা ধারণা ছিল যে, পরিস্থিতি হয়তো খুব একটা স্বাভাবিক হবে না। তবে আমি ভাবিনি যে এটি এমন পর্যায়ে গড়াবে যেখানে কোনো হ্যান্ডশেকই হবে না। আমি এটি আশা করিনি।’ সালমান জানান, ম্যাচ রেফারি খেলা শুরুর আগেই এ বিষয়ে তাকে সতর্ক করেন। তিনি বলেন, ‘রেফারি আমাকে একপাশে ডেকে নিয়ে বললেন যে, ওরা কোনো করমর্দন করবে না। আমি বললাম, তাই যদি হয় তবে তাই হোক। আমি নিজেও হাত মেলানোর জন্য খুব একটা মরিয়া ছিলাম না।’

তরুণ প্রজন্মের কাছে ক্রিকেটারদের দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে পাকিস্তান অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আমি যখন পাকিস্তান দলের অধিনায়ক, তখন শিশুরা আমাকে দেখবে এবং অনুকরণ করার চেষ্টা করবে। যখন আপনি একজন রোল মডেল, তখন আপনার এমন আচরণ করা উচিত নয়।’

পডকাস্টে উপস্থিত থাকা পেসার হাসান আলীও একই ইস্যুতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার মতে, এমন তিক্ততা নিয়ে মাঠে নামার চেয়ে ম্যাচ না হওয়াই শ্রেয় ছিল। হাসান বলেন, ‘দুই দলই একটি পারস্পরিক সমঝোতায় আসতে পারতো যে কোনো ম্যাচ হবে না এবং পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নেয়া হবে।’
সালমানের দাবি, টসের সময় শুরু হওয়া এই অসহযোগিতা ম্যাচের শেষ পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। এমনকি ম্যাচ শেষ হওয়ার পর পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা ভারতীয় প্যাভিলিয়নের দিকে এগিয়ে যায়। তবে ভারতীয় দল হাত মেলাতে রাজি হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন