দেশের তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে দক্ষ ক্রীড়াবিদ গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশব্যাপী ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। সিলেট জেলা স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বিকাল ৪টায় এ প্রতিভা অন্বেষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন। বাকি ৬৩ জেলা স্টেডিয়ামে লক্ষাধিক প্রতিযোগীও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত থাকবেন। ১৩-২২শে মে এর মধ্যে শেষ হবে আঞ্চলিক পর্বের খেলা। জাতীয় পর্যায়ে চূড়ান্ত বাছাইয়ের দিনক্ষণ এখনও জানায়নি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোরদের অনুপ্রাণিত করতে থাকবেন জাতীয় পর্যায়ের ৩২ ক্রীড়াবিদ। যারা প্রতিযোগীদের দিকনির্দেশনা দেবেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় কোচ, ক্রীড়া সংগঠক ও খেলোয়াড়দের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। নতুন কুড়ি স্পোর্টসে ১২-১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা মোট ৮টি ইভেন্টে অংশ নেবেন। ইভেন্টগুলো হচ্ছে -ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, অ্যাথলেটিক্স, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট। ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রংপুর, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ-এ দশটি অঞ্চলে ভাগ করে প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ দশ অঞ্চল থেকে প্রতিভা বাছাইয়ের পর জাতীয় পর্যায়ে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত করা হবে। প্রতিযোগিতায় একজন খেলোয়াড় সর্বোচ্চ দুইটি খেলায় অংশ নিতে পারবে। এই প্রতিযোগিতায় আট ইভেন্টের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন ১ লক্ষ ৬৭ হাজার ৬৯৩ জন প্রতিযোগী। ছেলে ১ লক্ষ ২০ হাজার ৯৪৯ জন, মেয়ে ৪৬ হাজার ৭৪৪ জন। ঢাকা অঞ্চল থেকে সবচেয়ে বেশি ২৫ হাজার ৩৮৭ জন প্রতিযোগী রেজিস্ট্রেশন করেছেন। সবচেয়ে কম রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে ময়মনসিংহ অঞ্চলে। সেখানে ৭ হাজার ৯৬৬ জন রেজিস্ট্রেশন করেছেন।
প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী শিশু কিশোররা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক নির্ধারিত হারে ভাতা পাবেন। অংশগ্রহণকারী প্রতিটি খেলোয়াড়কে জেলা পর্যায় থেকে স্ব স্ব ইভেন্টের জন্য নির্ধারিত মানসম্মত খেলোয়াড়ী পোশাক প্রদান করা হবে। উপজেলা,জেলা,আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী খেলোয়াড়দের কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ সনদপত্র প্রদান করা হবে। জাতীয় পর্যায়ে বাছাইকৃত সেরা খেলোয়াড়রা দীর্ঘমেয়াদী আবাসিক প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করার সুযোগ পাবেন। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ তৈরি হবে।
