ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে ৪৯জনকে বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অর্থাৎ এই ৪৯ প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার গেজেট প্রকাশ করবে ইসি।
বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে এ তথ্য জানান- সংরক্ষিত নারী আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের (ইসি) যুগ্ম সচিব মো. মঈন উদ্দিন খান।
তিনি বলেন, ‘সংরক্ষিত মহিলা আসন আইন-২০০৪’ অনুযায়ী গত ১৮ই এপ্রিল তফসিল ঘোষণা করা হয়। সে অনুযায়ী বুধবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল, সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে কোনো প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি। যেহেতু শূন্য পদের সংখ্যা এবং জমা পড়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা সমান, তাই সংরক্ষিত মহিলা আসন আইনের ১২(২) ধারা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সংরক্ষিত মহিলা আসন আইনের গেজেট প্রকাশ করবো।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে প্রকাশিত বৈধ ৪৯জন প্রার্থীর তালিকা কমিশনে উপস্থাপন করে গেজেট আকারে প্রকাশ করবো। মঈন উদ্দিন খান, একজন প্রার্থী কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে আপিল করেছেন, তবে এ বিষয়ে এখনও আমাদের কাছে এখনও কোনো তথ্য নেই। এ ছাড়া নুসরাত তাবাসসুম রিট দায়ের করেছেন এবং তার রায়ের কপি আমাদের কাছে দিয়েছেন। আদালত ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে যাচাই-বাছাই (স্ক্রুটিনি) করে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী সেই প্রক্রিয়া শুরু করেছি।
আদালতের নিষ্পত্তি বলতে কী বোঝানো হয়েছেÑ জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিষ্পত্তি বলতে তার মনোনয়নপত্র গ্রহণ করে আইন অনুযায়ী স্ক্রুটিনি করা বোঝানো হয়েছে। যাচাই-বাছাই শেষে তিনি বৈধ প্রার্থী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন, আবার বাতিলও হতে পারেন।
তিনি বলেন, বর্তমানে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে বিএনপি ও তার জোট থেকে ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী ও দলীয় জোট থেকে ১২ জন এবং স্বতন্ত্র জোট থেকে একজন। তালিকাসহ মোট ৪৯জন বৈধ প্রার্থীর নাম ইতিমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে এবং নোটিশ আকারে টাঙানো হয়েছে। সংরক্ষিত মহিলা আসন আইনের ১২(২) ধারা অনুযায়ী আগামীকাল এই তালিকাই গেজেট করা হবে।
