ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী দু’দিনে দেশের ৩০টি জেলায় দুই শতাধিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এতে নিহত হয়েছেন তিনজন এবং আহত শতাধিক। রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ সংস্থা হিউম্যান রাইটস সাপোর্ট সোসাইটির (এইচআরএসএস) সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক এজাজুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন পরবর্তী দুইদিনে ৩০টি জেলায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সহিংসতায় মুন্সীগঞ্জ ও বাগেরহাটে দুই যুবক নিহত হন। আর ময়মনসিংহে নিহত হয় একটি শিশু। এ ছাড়া নোয়াখালীতে একটি ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ছাড়া নির্বাচনী প্রচারণার সময় অন্তত ৩২টি ঘটনায় ৪৫ জন নারী হেনস্তার শিকার হয়েছেন এবং ২৩ জন নারী আহত হয়েছেন। সংগঠনটি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পর থেকে ১১ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তত ২৫৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ১ হাজার ২৫৪টি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় পাঁচজন নিহত ও ১ হাজার ৬৫০ জন আহত হয়েছেন। নির্বাচনের দিন সারা দেশে ৩৯৩টি অনিয়মের ঘটনা নথিবদ্ধ করেছে এইচআরএসএস। এর মধ্যে ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, জালভোট প্রদান এবং পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার ঘটনা ছিল প্রধান। এ ছাড়া নির্বাচন পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৩৫০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
সংবাদ সম্মেলনে এইচআরএসএস জানায়, গত বছরের ১১ই ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। সংস্থাটি সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ভবিষ্যতে এ ধরনের বিচ্যুতি রোধে আরও কঠোর ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানায়।

MA Hannan
৫ মাস আগেএতসব বাহিনীর এতসব পাহাড়ার মধ্যে ভোট চুরি ও পোলিং এজেন্টদের বের করে দেয়ার ঘটনা প্রমান করে পক্ষপাতি আচরণ করা হয়েছে। তাহলে নির্বাচন সুষ্টু হয়েছে এমনটা বলা মিথ্যাচার নয় কি?