ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজেও নিউজিল্যান্ডের মূল ক্রিকেটারদের বড় একটি অংশকে পাচ্ছে না কিউইরা। আইপিএল ও পিএসএলের ব্যস্ততায় বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন এই সিরিজেও অনভিজ্ঞ দল নিয়ে মাঠে নামবে ব্ল্যাক ক্যাপসরা। তবে অভিজ্ঞতার এই ঘাটতিকে বড় সমস্যা বলে মনে করছেন না ভারপ্রাপ্ত কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম। তার মতে, দলের ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলার যে অভিজ্ঞতা রয়েছে, সেটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে লড়াইয়ের রসদ জোগাবে।
গত ফেব্রুয়ারিতে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের মধ্যে কেবল ইশ সোধি বাংলাদেশ সফরে এসেছেন। অভিজ্ঞতার বিচারে ল্যাথাম এগিয়ে থাকলেও গত তিন বছরে মাত্র ৩টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। তবে ওয়ানডে সিরিজে ডিন ফক্সক্রফট, নিক কেলি এবং নাথান স্মিথদের পারফরম্যান্স ল্যাথামকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। বিশেষ করে শেষ ওয়ানডেতে ফক্সক্রফটের ৭৫ রানের ইনিংসটি বার্তা দেয়। টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে গতকাল সংবাদ সম্মেলনে দলের সামর্থ্য নিয়ে ল্যাথাম বলেন, ‘আমার মনে হয় টি-টোয়েন্টি দলটাও অনেকটা ওয়ানডের মতো। আমাদের দলের ক্রিকেটারদের অভিজ্ঞতা হয়তো কম। তবে দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে তাদের অভিজ্ঞতা অনেক। তাই আন্তর্জাতিক মঞ্চে অভিজ্ঞতা কম হলেও, ঘরোয়া ক্রিকেট খেলে তারা যে অভিজ্ঞতা পেয়েছে, সেটি কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ।’
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে কাজে লাগবে বলে মনে করেন ল্যাথাম। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তারা যে সুযোগ পেয়েছে, সেটি টি-টোয়েন্টিতে বয়ে আনতে পারলে দারুণ হবে। আমাদের দলের কয়েকজনের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা আছে। যেখানে তারা অনেক ভালো ক্রিকেটারদের মোকাবিলা করেছে, নামি আন্তর্জাতিক তারকাদের সঙ্গে খেলেছে।’
ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেও শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ায় নিউজিল্যান্ড। তবে ছোট ফরম্যাটে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া কিউই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আমার মতে, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা ছেলেদের আছে। সবাই এই ফরম্যাটে খেলতে ভালোবাসে। এটি খুবই গতিময়, বিনোদনে ভরপুর ও আনন্দের ফরম্যাট। তো হ্যাঁ, এই সিরিজটি খেলার জন্য মুখিয়ে আছি।’
