অনিয়ম দুর্নীতি ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে সাভারের সাব রেজিস্ট্রার মো. জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। গত কয়েকদিনে দেশের একাধিক গণমাধ্যমে তার অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে ধারাবাহিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ায় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
আগামী ২৬ এপ্রিল অভিযোগের সরজমিন অনুসন্ধানের জন্য ওই কমিটির সদস্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈনউদ্দিন কাদির সাভারে স্বশরিরে উপস্থিত হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া সরজমিন পরিদর্শনের সময় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবেদক ও অভিযুক্তকে প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত ও দালিলিক প্রমাণ নিয়ে সাব রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ করা হয়।
মঙ্গলবার মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে চিঠি একটি ইস্যু করা হয়। জানতে চাইলে সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মঈন উদ্দিন কাদির বলেন, এটি মূলত প্রাথমিক অনুসন্ধান। ইতোমধ্যে তিনি এটা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে তাকে অভিযোগের সত্যতা যাচাই ও অনুসন্ধানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করছেন। শিগগির সাভার সাব রেজিস্ট্র্রি অফিসেও যাবেন। সাব রেজিস্ট্রার জাকির হোসেন এর আগে জামালপুরের বকসিগঞ্জ, সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং সাব রেজিস্ট্রি অফিসে কর্মরত ছিলেন। প্রতিটি কর্মস্থলেই তার বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরনের অভিযোগ ওঠে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিকবার মানববন্ধনও হয়।

Fatima Akter Sumi
১ মাস আগে25/01/26 তারিখে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট কর্তৃক ইস্যুকৃত পত্রটির বিষয়বস্তু,২৪/০৪/২০২৬ ইং তারিখে মানবজমিন পত্রিকায় কেন প্রকাশিত হলো এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের আলোচনা মোতাবেক পরবর্তী করণীয়তে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
আয়কর গোয়েন্দা কর্তৃক এ ধরনের পত্র ইস্যু করা তাদের দৈনন্দিন কাজের অংশ এবং কর ফাকি রোধে সব পেশার মানুষের ক্ষেত্রে তারা এটা করে থাকে বলে জানা যায়।
পত্রটি অতি গোপনীয় বলে উল্লেখ সত্যেও কেন তা কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত এবং পত্রটি ইস্যুর তারিখ উল্লেখ না করে সমসাময়িক একটা মিথ্যা ইস্যুকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ হলে তা লিগ্যাল প্রসিডিওর এর মাধ্যমে জানতে চাওয়া হবে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক মহোদয় বরাবর।