একদিকে শান্তি আলোচনার জন্য তাগাদা দিলেও অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে মার্কিন বাহিনী। সর্বশেষ, যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ’ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
সিএনএন বলছে, রণতরী বুশ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে যাওয়ার অর্থ হলো অঞ্চলটিতে মার্কিন নৌ বাহিনী দ্রুত আরও কয়েক ডজন যুদ্ধ বিমান পেতে যাচ্ছে। যে কোনো সময় যুদ্ধবিরতি ভেঙ্গে গেলে বা ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধে এসব যুদ্ধবিমান ব্যবহার করা হবে।
এমন প্রেক্ষাপটে কড়া বার্তা দিয়েছে ইরানও। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তারা নতুন করে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত এবং জাতীয় স্বার্থ ও দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।
বৃহস্পতিবার বিবিসির বিশ্লেষণী রিপোর্ট বলছে, দুই পক্ষই কৌশলগত হরমুজ প্রণালির অবরোধের কারণে আলোচনা প্রক্রিয়া এখন বন্ধ হয়ে আছে। কোনো পক্ষের কাছ থেকেই পিছু হটার কোনো লক্ষণ পাওয়া যাচ্ছে না।
যুক্তরাষ্ট্রের ধারণা, হরমুজ প্রণালি বন্ধ ও নৌ অবরোধের কারণে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে ব্যাপক মূল্য দিতে হবে এবং এতে করে তেহরান আলোচনার টেবিলে ফিরবে এবং মার্কিন চুক্তি মেনে নেবে।
বিবিসি বলছে, ইরানকে অবশ্যই অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হচ্ছে। কিন্তু ইরানেরা নেতারা কখনো আত্মসমর্পন করবেন না। এটি তাদের ডিএনএ সিস্টেমে নেই। দেশটির কর্মকর্তাদের বিশ্বাস, তারা এই চাপ সহ্য করতে পারবে কিন্তু একমাত্র তাদের শর্ত মানা হলে তারা চুক্তিতে আগ্রহী হবে।
