যুক্তরাষ্ট্রের নৌমন্ত্রী জন ফেলানকে বরখাস্ত করেছে পেন্টাগন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়েই তাকে পদ হারাতে হলো বলে গুঞ্জন উঠেছে। বুধবার নৌমন্ত্রী (নেভি সেক্রেটারি) জন ফেলানকে অবিলম্বে পদত্যাগের নির্দেশ দেন ডনাল্ড ট্রাম্প। পেন্টাগনের প্রভাবশালী বসদের সঙ্গে বনিবনা না হওয়া এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সরে যেতে বাধ্য হলেন তিনি। এ ধরনের সিদ্ধান্ত ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অস্থিরতা ও ব্যর্থতা প্রকাশ পাচ্ছে। জন ফেলান ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ। এমনকি ট্রাম্পের নাম অনুসারে ট্রাম্প-ক্লাস যুদ্ধজাহাজ তৈরির মহা-পরিকল্পনা গোল্ডেন ফ্লিটের প্রধান কারিগরও ছিলেন তিনি। কিন্তু পেন্টাগনের ভেতরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং উপ-প্রতিরক্ষা মন্ত্রী স্টিফেন ফেইনবার্গের সঙ্গে তার শীতল সম্পর্কের কারণে তাকে বিদায় নিতে হলো।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি অনুযায়ী জেনারেল ও অ্যাডমিরালদের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট চেক করে তারা ‘ওক’ বা অতি-উদারপন্থী কি না, তা যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছিলেন হেগসেথ। এই ধরণের সংস্কৃতি যুদ্ধে ফেলান তাল মেলাতে পারছিলেন না বলেই তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের সঙ্গে যখন পুরোদমে নৌ-অবরোধ আর হামলা-পাল্টা হামলা চলছে, তখন এমন শীর্ষপদে রদবদলকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে দেখছেন বিরোধীরা।
ডেমোক্রেটরা বলছেন, ট্রাম্পের এই খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের কারণে মাঝ সমুদ্রে মার্কিন নাবিকদের মনোবল ভেঙে যেতে পারে। বিশেষ করে টমাহক মিসাইলের মজুদ বাড়ানো এবং নতুন প্রযুক্তির জাহাজ তৈরির কাজে এই রদবদল বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর আগে হেগসেথের সঙ্গে বিরোধের জেরে আর্মি চিফ অফ স্টাফ জেনারেল র্যান্ডি জর্জকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফেলানের স্থলে ভারপ্রাপ্ত নৌমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন আন্ডার সেক্রেটারি হাং কাও।

Zakiul Islam
১ মাস আগেঅন্ধ হলেই প্রলয় বন্ধ হবে নারে উন্মাদ হেগসেথ , ট্রাম্প ।