দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ, বললেন কনকচাঁপা

দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ, বললেন কনকচাঁপা

ফন্ট সাইজ:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ আসনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ দুপুর সোয়া ১২টায় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে শোবিজের অনেকেই মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেও কাউকেই মনোনয়ন দেয়া হয়নি দলটির তরফে। এদিকে জাতীয় নির্বাচনের পর সংরক্ষিত আসনেও বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হলেন কণ্ঠশিল্পী রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জীবনের যে কোনো পরিস্থিতিতেই আমি আলহামদুলিল্লাহ বলি। সবই আল্লাহর ফয়সালা।

সরাসরি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য যুদ্ধ করলাম। তখনও যখন নমিনেশন পাইনি, আলহামদুলিল্লাহ বলেছি নির্দ্বিধায়। গ্রামের মানুষের প্রবল চাহিদার জন্য আবারও গেলাম সংরক্ষিত আসনের এই প্রসেসে। সেখানেও নাম নাই। আবারও বলি আলহামদুলিল্লাহ। নিশ্চয়ই আল্লাহ এর মধ্যে মঙ্গল রেখেছেন। জীবন তো এখানেই শেষ হয়ে গেল, না। তিনি যোগ করেন, আপনারা যেভাবে আমার সাথে ছিলেন আশা করি সেভাবেই থাকবেন। আমি নিতান্তই সাদামাটা মানুষ। দল হয়তো ভেবেছে আমি ভাতের মাড় টাইপ মানুষ। কিন্তু আমি জানি এই দেশ আমার, গান ছাড়াও এ দেশকে দেওয়ার অনেক কিছু বাকি আছে। সবশেষে কনকচাঁপা লেখেন, ইনশাআল্লাহ আমি আছি দেশের হয়ে, দশের হয়ে। আর কিছু যদি নাও পারি মরে গিয়ে মাটিতে মিশে মাটি উর্বর করতে পারব নিশ্চয়ই। আমার জন্য দোয়া করবেন।

Abdul Halim

১ মাস আগে

MP hotei hobe keno? Ki korben MP hoye? Law banaben?

Sakhawat

১ মাস আগে

“রাজনীতি দেশসেবার মহান একটি মাধ্যম” এই কথাটি আজকাল অনেক ক্ষেত্রেই আর বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না! একজন শিল্পী, যিনি তাঁর নিজস্ব প্রতিভা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছেন, হঠাৎ করেই দলীয় রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। উদ্দেশ্য যাই হোক, এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত পছন্দ।
কিন্তু বাস্তবতা হলো যে দলে তিনি যোগ দিলেন, সেদল তারপর থেকেই ক্ষমতার বাইরে। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির (বরং কু-সংস্কৃতির) কারণে তিনি ধীরে ধীরে তাঁর আগের পেশাগত ক্ষেত্র থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেন। শুধু তাই নয়, নিজ দলেও তিনি প্রত্যাশিত সম্মান বা অবস্থান অর্জন করতে পারলেন না।
যে পেশা তাঁকে দেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা এনে দিয়েছিল, যে পরিচয়ে তিনি ছিলেন সবার প্রিয় ‘গানের পাখি’, সেই পরিচয়কে একপাশে সরিয়ে তিনি নিজেকে একটি নির্দিষ্ট দলের গন্ডীতে আবদ্ধ করলেন। সময়ের সাথে এমন এক অবস্থায় এসে দাঁড়ালেন, যেখানে নিজের দল থেকেও তিনি আর আগের মতো গুরুত্ব পেলেন না।
আজ তিনি যেন দুই দিক থেকেই বঞ্চিত! শিল্পী জীবন থেকেও দূরে, রাজনীতিতেও প্রতিষ্ঠিত নন। অথচ যদি তিনি রাজনীতিতে এসে তাঁর শিল্পী জীবনের অর্জিত ভালোবাসার চেয়েও বড় কিছু অর্জন করতে পারতেন, সেটিই হতো প্রকৃত সাফল্য। কিন্তু বাস্তবতা বলছে, আজ তিনি সংরক্ষিত মহিলা আসনের একজন সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য বলেও বিবেচিত হলেন না।
এতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগে নিজের যোগ্যতা ও অবস্থান সম্পর্কে সঠিক উপলব্ধি না থাকলে এমন সিদ্ধান্তই কি অনিবার্য নয়? এমনকি এই প্রশ্নও আসে, তাঁর সঙ্গীতজীবনের জনপ্রিয়তা কি পুরোপুরি তাঁর যোগ্যতার প্রতিফলন ছিল?
জীবনের একটি ভুল সিদ্ধান্ত কখনো কখনো দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে যা সহজে আর সংশোধন করা যায় না। একজন প্রতিভাবান শিল্পীকে এভাবে হারাতে হয়েছে ভেবে সত্যিই আফসোস হয়।

pipilika

১ মাস আগে

Power

Harun al Rashid

১ মাস আগে

আক্ষেপ নাস্তি! ভ্রুনে জন্ম নেয়া উচ্চ কক্ষে বসতেওতো পারেন--যদি বিকল্প মুখপাত্রের মর্জি হয়। আসলে সবাই বোধ করি বুঝে গেছে যে সংসদভবন নামক বিশল আট্টালিকাটির মধ্যে গোল হয়ে বসে মমতাজের মত সূর লহরীতে জীবনের সফলতা খুঁজে নেয়ার বিকল্প নেই। ভয়ে আছি কখন যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দলিয় সন্মাননীয় শিক্ষকগণ গোঁ ধরেন যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতায় জীবনের সাফল্য নিহিত তাহলে সব শিক্ষার্থীগণও গোঁ ধরবে ঐ উর্বসীর সংঙ্গে আমরাও রাজনীতি করবো!

মন্তব্য করুন