কচুয়ায় যুবদল কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

কচুয়ায় যুবদল কর্মীকে পিটিয়ে হত্যা

ফন্ট সাইজ:

চাঁদপুরের কচুয়ায় পোল্ট্রির খামারে মোটর চুরির অভিযোগে শাকির হোসেন (৪০) নামের এক যুবদল কর্মীকে মারধরের পর তার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় পোল্ট্রি খামারের মালিকসহ দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে দোয়াটি গ্রামের বিকাশ চন্দ্র সরকারের পোল্ট্রি খামারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শাকির হোসেন উপজেলার ৪নং পালাখাল মডেল ইউনিয়নের দোয়াটি গ্রামের মৃত আব্দুস সালামের ছেলে ও স্থানীয় যুবদলের কর্মী ছিলেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার বাদী হয়ে শনিবার বিকালে বিকাশ চন্দ্র সরকার ও সোহরাব মিয়াসহ ১০ জনের নাম উল্লেখ ও ১২-১৪ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে কচুয়া থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।

নিহত শাকিরের মা সাহেরা বেগম ও মেয়ে তামান্না আক্তার জানান, শাকির হোসেন শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে দোয়াটি গ্রামে দলীয় একটি প্রোগামে যোগদানের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে বাড়ি আসছি বলে তার স্ত্রীর সঙ্গে শেষ কথা হয়। একপর্যায়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে প্রতিবেশী এক যুবকের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারি শাকিরকে মারধর করা হয়েছে। পুলিশের সহায়তায় কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের স্ত্রী রোজিনা আক্তার জানান, তার স্বামী তাদের মাছের প্রজেক্টে মাছ দেখতে গেলে আসার পথে বিকাশ চন্দ্র সরকার পূর্ব পরিকল্পিতভাবে মোটর চুরির অভিযোগ এনে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাকে মারধর করে পিটিয়ে আহত করলে তার মৃত্যু হয়। আমার স্বামী মোটর চুরি করেনি। তিনি তার স্বামীর মৃত্যুর জন্য বিকাশ চন্দ্রকে দায়ী করে এ হত্যার ন্যায়বিচার দাবি করেন। তিনি আরও জানান, আমার কোনো ছেলে নেই। ৪ মেয়ে নিয়ে আমি এখন কোথায় যাবো। এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া নিহতের স্ত্রীর একটি লিখিত এজাহার পেয়েছি। তদন্তপূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

লিমা

৫ মাস আগে

একটি হত্যার বিচার যদি জন সম্মুখে হত তাহলে আর এমন ঘটনা ঘটত না।অপরাধ করলে তার জন্য আইন আছে।কিন্তু মুসলমানদের দেশে এটা মেনে নিতে কষ্ট হয়।কিসের মুসলিম কিসের মুসলমান?

মন্তব্য করুন