বিয়ানীবাজারে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ

ফন্ট সাইজ:

স্বাধীনতার পর থেকেই বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের করতি খালের উপর সেতু স্থাপনের দাবি ছিল স্থানীয়দের। কিন্তু তাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ছিল অবলম্বন। এবার ওই এলাকার ১০ গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে যাচ্ছেন সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী। আলীনগর ইউনিয়নের পাতন ও ফুলমলিক গ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে করতি খালের উপর সেতু স্থাপনের লক্ষ্যে শনিবার দুপুরে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলীকে নিয়ে স্থানটি পরিদর্শন করেন নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সেতুটি নির্মাণ হলে ওই ১০ গ্রামের জনজীবনের দুর্দশা কাটবে।

বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ- দু’টি উপজেলা সদরের সঙ্গেই সহজ হবে যাতায়াত। সেতু স্থাপনের জায়গা পরিদর্শনকালে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে আমাদের এই দাবিকে কোনো জনপ্রতিনিধি মূল্যায়ন করেননি। আশ্বাসেই আটকে ছিল আমাদের অতি প্রয়োজনীয় সেই দাবি। আমাদের ফুল মলিক, ঘাগওয়া, গোবিন্দশ্রী, দেউলগ্রাম, পাতন, চন্দ্রগ্রাম, কটলিপাড়া ও আঙ্গুরা সহ আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ একটি বাঁশের সাঁকোতে করতি খাল পাড়ি দিয়ে কাজ ও স্কুলে যাচ্ছেন। করতি খালের দুইপাশে ছয়টি প্রাথমিক ও তিনটি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ রয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভয়ে ভয়ে প্রতিদিন সাঁকো পাড়ি দিতে হয়।

মাঝে মাঝে শিক্ষার্থীদের নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ ছাড়া, কেউ অসুস্থ হলে হাসপাতালে বা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া, কিংবা মৃত্যু হলে গ্রামগুলোর মধ্যে আনা-নেয়া করাও কঠিন। এবার আমাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে আশা করছি।’ স্থান পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- মুফতি মাওলানা মুজিবুর রহমান, বিয়ানীবাজার ক্যান্সার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম সাব উদ্দিন, ড. জুনায়েদ আজম চৌধুরী, এনাম উদ্দিন, রফিক উদ্দীন, সরফ উদ্দীন, ডা. নাদিয়া সুলতানা, ইউপি সদস্য শামিম আহমদ ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদল নেতা আশরাফুল হক।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন