নির্বাচনে উচ্চ ভোটার উপস্থিতি এবং গণভোটের ফলাফল প্রমাণ করে যে বেশির ভাগ বাংলাদেশির দৃষ্টিতে নির্বাচন ও সংস্কার প্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য ছিল। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের বিশেষজ্ঞ থমাস কিয়ান এমনটাই মনে করেন। গ্রুপটি বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটকে মূল্যায়ন করে সংক্ষেপে এসব কথা বলেছে। তারা আরও জানিয়েছে, ২০২৪ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর অনুষ্ঠিত দেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে। শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগকে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত রাখা হয়।
একইসঙ্গে অনুষ্ঠিত জুলাই চার্টার নিয়ে গণভোট বিপুল ভোটের ব্যবধানে পাস হয়েছে। এই গণভোট হলো গত এক বছরে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের আলোচনার মাধ্যমে প্রণীত একগুচ্ছ সংস্কার প্রস্তাব। ক্রাইসিস গ্রুপের বিশেষজ্ঞ থমাস কিয়ান বলেছেন, উচ্চ ভোটার উপস্থিতি এবং গণভোটের ফলাফল প্রমাণ করে যে বেশির ভাগ বাংলাদেশির দৃষ্টিতে নির্বাচন ও সংস্কার প্রক্রিয়া বিশ্বাসযোগ্য ছিল। তবে নতুন সরকারকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে। বিশেষ করে দুর্বল অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটানো।

সোহাগ আলী
৪ মাস আগে"সবার আগে বাংলাদেশ" এই স্লোগানটির বাস্তবায়নে দৃঢ় কদমে এগিয়ে যাওয়া দরকার এখন.... নতুন সরকারের প্রতিটি সিদ্ধান্তে 'Bangladesh first' পলিসি মাথায় রাখতে হবে শতভাগ....