ইরান জানিয়েছে, আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে কোনো আলোচনায় বসার পরিকল্পনা নেই। রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজে এই তথ্য জানানো হয়েছে বলে খবর দিয়েছে সিএনএন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে ফার্স নিউজ জানায়, ইরান কোনো তাড়াহুড়ো করছে না। যুক্তরাষ্ট্র একটি গ্রহণযোগ্য চুক্তিতে সম্মত না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতিতেও কোনো পরিবর্তন আসবে না।
এর আগে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে টানা ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই ঐতিহাসিক ওই আলোচনা শেষ করেছে তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এই ফলাফলকে ইরানের জন্য ‘দুঃসংবাদ’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে ইরানের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট আতাউল্লাহ মোহাজেরানি ভিন্ন মত প্রকাশ করে বলেছেন, এর চেয়েও খারাপ খবর হলো, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য।
তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রই আলোচনার উদ্যোগ নেয়, মধ্যস্থতাকারী ঠিক করে এবং ইরানের দেয়া দশটি শর্ত মেনে নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আলোচনার টেবিলে বসে সেই লক্ষ্য অর্জনের চেষ্টা করেছে, যা তারা যুদ্ধক্ষেত্রে অর্জন করতে পারেনি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় অংশ নেয়া ইরানের প্রতিনিধিদল মধ্যরাতের দিকে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেছে।

ম নাছিরউদ্দীন শাহ
২ মাস আগেজটিল কঠিন পরিস্থিতি আমেরিকা ইসরাইল এরা গোটা পৃথিবীর মাঝে অশান্তির ভয়ংকর ভাইরাস।
এদের শয়তানী বুদ্ধি কুমন্ত্রণার মধ্যে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান যুক্ত কে করেছেন ট্রাম্প। দেশের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ সেনাবাহিনীর পুতুল সরকার। ইরানের দাবী গুলো যৌক্তিক। পৃথিবীর মানুষ দেখছে জানেন বুঝেন আমেরিকার কারণে
মধ্য প্রার্চের দেশ গুলোর রাঝা বাদশাহ দিশেহারা আমেরিকার গোলামের মত জ্বী হুজুরের ভূমিকায় অবতীর্ণ। গোটা মধ্য প্রার্চের অশান্তির কারণ দুটি দেশ ইসরাইল আমেরিকা।আমেরিকার প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্পের আচরণ কথা বার্তা হুমকি দমকি নিজের বিজয় নিজে ঘোষণা। পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ইরান কে মুছে পেলার ঘোষণা। সবকিছুই করে যাচ্ছেন অবৈধভাবে বসবাসকারী ফিলিস্তিনের মাঠিতে জায়েনবাদী ৭০ লক্ষ ইহুদিদের জন্যে ।
গোটা পৃথিবীর মাঝে ২০০ কোটির অধিক মুসলিম
দেশের রাজা বাদশাহ রাষ্ট্র প্রধান কৌশলে চুপচাপ আমেরিকার স্বার্থের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিবাদী
নেই। ইরান আমেরিকা যুদ্ধ নিয়ে শান্তি বৈঠক শান্তি হবে??? হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। কারণ
আমেরিকা ইসরাইল ধ্বংসযজ্ঞ ছাড়া কিছুই বুঝে না। এরা বিজয় নিয়ে ফিরতে চায়। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের খুবই আপনজন। শেষ পযর্ন্ত কি হয় আল্লাহ্ জানেন। গোটা মধ্য ধ্বংস না হওয়া পযর্ন্ত ইসরাইল আমেরিকার মনে শান্তি প্রতিষ্ঠা হবে না====/