মুন্সীগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা

মুন্সীগঞ্জে বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা

ফন্ট সাইজ:

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলে বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা করেছে ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকরা। নিহত ব্যক্তির নাম জসীমউদ্দিন নায়েব (৩০)। তিনি চর আব্দুল্লাহ গ্রামের মাফিক নায়েবের ছেলে। গতকাল বিকাল ৩টার দিকে আধারা ইউনিয়নের চরআবদুল্লাহ গ্রামে পিটিয়ে তাকে আহত করা হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছে বলে জানায়- নিহতের স্বজনরা।


নিহত নায়েব সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মুন্সীগঞ্জ-৩ (সদর-গজারিয়া) আসনের ফুটবল প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থী মো. মহিউদ্দিনের সমর্থক ছিলেন। অভিযুক্তরা হলেন, ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক ও ওই গ্রামের ডাক্তার নাসির দেওয়ান ও তার ছেলে শাকিল দেওয়ান। আসনটিতে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক কমিটির সদ্য বহিষ্কৃত সদস্য সচিব মো. মহিউদ্দিন।


স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, নিহত জসীমউদ্দিন এবং তার পরিবারের লোকজন ফুটবল প্রতীকের সমর্থক ছিলেন। তারা বৃহস্পতিবার সংসদ নির্বাচনে ফুটবল প্রতীকে ভোট দেন। ওই গ্রামের ধানের শীষের সমর্থক ছিলেন ডাক্তার নাসির ও তার ছেলে শাকিল। শুক্রবার বিকাল তিনটার দিকে জসীমউদ্দীন তার বাবা মাফিক এবং তার বড় ভাই মশিউর নায়েবরা বাড়িতেই ছিলেন। সে সময় নাসির শাকিল, চোরা জসীম, নুরে আলম সাগর, শওকত আলী সরকার, জাহাঙ্গীর সরকারসহ ৫০-৬০ জনের একটি দল জসীম উদ্দিনের বাড়িতে যায়। সেখানে জসীম উদ্দিনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। জসীম উদ্দিনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।


নিহতের বড় ভাই মসিউর নায়েব রাত সাড়ে ৯টার দিকে বলেন, আমরা ফুটবলের নির্বাচন করেছিলাম। এটাই আমাদের একমাত্র দোষ। বিএনপি’র বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় ধানের শীষের নাসির ডাক্তার ও তার ছেলে শাকিলরা আমার ভাইকে পিটিয়ে মেরে ফেলল।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মমিনুল ইসলাম রাত ৯টার দিকে মানবজমিনকে বলেন, পূর্ববিরোধ এবং নির্বাচনী দ্বন্দ্বের জেরে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মারা হয়েছে বলে শুনেছি। ওই এলাকায় পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


Citizen

৫ মাস আগে

হত্যাকারিদের গ্রেফতার করুন বিচার করুন ,বিচারাদেশ কার্যকর করুন -আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হোক ; তাহলেই দেশে মারামারি, হানাহানি বন্ধ হবে।

মোঃআক্তারুজ্জামান

৫ মাস আগে

নতুন করে আর বাংলার বুকে এমন নৃশংসতা দেখতে চায়না। দয়া করে একে অপরকে আপনজন মনে করে,ভুল ত্রুটি ক্ষমা করে হাতে হাত মিলিয়ে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে,চলার চেষ্টা করেন, খুন খারাপি,হত্যাযজ্ঞ এহেন কর্মকান্ড কোন সভ্য জাতি করতে পারেনা,আর আমরা যে নিজেদেরকে মোসলমান হিসাবে পরিচয় দিয়ে থাকি,সে ইসলাম ধর্মে তো এর স্থানই নাই, আসেন আমরা দল মত, প্রতিহিংসা প্রত্যাহার সবাই সবাইকে আপন ভেবে পথ চলা শুরু করি, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করে।আমিন

মন্তব্য করুন