ভোলার লালমোহন উপজেলার খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাসের বিরুদ্ধে খাদ্য গুদাম থেকে চাল ও গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) বিতরণে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। তাকে ঘুষ না দিলে ডিও দিতে গড়িমশি করার পাশাপাশি হয়রানি করারও অভিযোগ রয়েছে। অবনী মোহন দাসের ঘুষ লেনদেনের কয়েকটি ভিডিও সংরক্ষিত রয়েছে এ প্রতিনিধির কাছে। জানা গেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার (পিআইও) কার্যালয় থেকে চাল বা গম বরাদ্দের ছাড়পত্র নিয়ে সংশ্লিষ্ট ডিলার বা বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দপ্রাপ্তরা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছ থেকে ডিও নিতে গেলে তাদের কাছ থেকে প্রতি টনে পাঁচশত টাকা থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করা হয়।
নির্ধারিত ওই টাকা পরিশোধ করা হলে দ্রুত ডিও ইস্যু করেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস। একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ৯ টন চালের ডিও প্রদানের জন্য সাড়ে চার হাজার টাকা নিচ্ছেন অবনী মোহন দাস। ঘুষের টাকা পেয়ে দ্রুত ডিও লেটার প্রস্তুত ও ইস্যু করেন তিনি। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, ঘুষের টাকা পেলে নিয়ম বহির্ভূতভাবে একাধিক কিস্তির ডিও একবারেই প্রস্তুত করে দেয়া হয়, যা সরকারি বিধিমালার পরিপন্থি। এ অভিযোগের ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অবনী মোহন দাস বলেন, আমি জোর করে কারও কাছ থেকে টাকা নেইনি। তারা খুশি হয়ে যা দেয়, আমি তাই নেই।
