ঘুষ আর পায়খানার মল খাওয়া একই কথা,নিতাই রায় চৌধুরী

ঘুষ আর পায়খানার মল খাওয়া একই কথা,নিতাই রায় চৌধুরী

ফন্ট সাইজ:

দলের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি, দখলদারি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন সংস্কৃতিমন্ত্রী এডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বলেন, ঘুষ খাওয়া আর পায়খানা-মল খাওয়া সমান। অপরাধ করলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না; সে যে দলের লোকই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। শনিবার মাগুরা মহম্মদপুর উপজেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী আমিনুর রহমান কলেজের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বক্তব্যে স্বচ্ছতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি ঘোষণা করেন, সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় পক্ষপাতিত্ব করা হবে না। তিনি বলেন, যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন তারাও কার্ড পাবেন, যারা দেননি তারাও পাবেন। এই কার্ড হবে প্রতিটি পরিবারের আর্থিক সুরক্ষার কবজ, যার মাধ্যমে সরকারি সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে।” কৃষকদের জন্য ‘কৃষি কার্ড’ এবং দুস্থদের জন্য ‘স্বাস্থ্য কার্ড’ প্রদানের কার্যক্রমও দ্রুত শুরু হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ছিন্নমূল মানুষকে প্রতিদিন ৫০০ টাকা করে সরকারি সহায়তা দেয়া হবে। এই প্রক্রিয়ায় কোনো দলীয় প্রভাব থাকবে না। এ ছাড়া খাল খনন কর্মসূচি এবং নদী খননের মাধ্যমে কৃষি ও পরিবেশের আমূল পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ৫০ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। রাজনৈতিক ভিন্নমত থাকবে মতপার্থক্য থাকবে, আদর্শের পার্থক্য থাকবে, ধর্ম-বর্ণের পার্থক্য থাকবে কিন্তু দিনশেষে আমরা সবাই বাংলাদেশি। আমরা জনগণের মধ্যে বিভেদ নয়, ঐক্য চাই। শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করা এবং বাংলাদেশকে এশিয়ার একটি ‘রোল মডেল’ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. তানভীর রহমান সোহেলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান, সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মতিউর রহমান এবং কলেজের প্রতিষ্ঠাতা মো. মিজানুর রহমান কাবুল।

কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন