২৮৭টি গুজবের শিকার তারেক রহমান, দল হিসেবে বিএনপি ৭৯০

২৮৭টি গুজবের শিকার তারেক রহমান, দল হিসেবে বিএনপি ৭৯০

ফন্ট সাইজ:

গত ৩ মাসে ২৮৭টি গুজবের শিকার হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, যার ৮৫ শতাংশই নেতিবাচক। দল হিসেবে সর্বোচ্চ ৭৯০টি গুজবের শিকার বিএনপি, যার ৭৭ শতাংশ নেতিবাচক। ‘রাজনীতি-ভোট-বৈশ্বিক সংকট: প্রথম প্রান্তিকের অপতথ্য বিশ্লেষণ’ শীর্ষক রিউমর স্ক্যানারের এক প্রতিবেদনে এমনটিই বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে বাংলাদেশে মোট ১৯৭৪টি ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৩৬ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে এই সংখ্যা ছিল ৮৩৭টি। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ভুল তথ্যের বিস্তার বাড়ার পেছনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ জাতীয়, রাজনৈতিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আগের প্রান্তিকের (২০২৫ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর) তুলনায় এই বৃদ্ধির হার প্রায় ৩৭ শতাংশ।

আরও বলা হয়, একক ব্যক্তি হিসেবে সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে উল্লেখ আরও বলা হয়, রাজনৈতিক দলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুল তথ্য প্রচারিত হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে নিয়ে। এই তথ্যগুলো রিউমর স্ক্যানারের ওয়েবসাইটে গত তিন মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলো বিশ্লেষণের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়েছে।

দল হিসেবে বিএনপি, ব্যক্তি হিসেবে তারেক রহমানকে জড়িয়ে সর্বোচ্চ গুজব

জানুয়ারি–মার্চ সময়কালের রিউমর স্ক্যানারের শনাক্ত করা রাজনৈতিক অপতথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভিন্ন ভিন্ন দলের ক্ষেত্রে অপতথ্যের ধরন ও প্রবণতায় স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। এই সময়ে সবচেয়ে বেশি অপতথ্যের শিকার হয়েছে বিএনপি। দলটি, দলটির বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন এবং নেতাকর্মীদের নামে গত তিন মাসে ৭৯০টি অপতথ্য শনাক্ত হয়েছে, যেখানে দল হিসেবে বিএনপিকে ঘিরে ৭৭ শতাংশ এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ঘিরে ৮৫ শতাংশ অপতথ্য নেতিবাচক প্রকৃতির।

হারুন উর রশীদ

২ মাস আগে

গুজব, মিথ্যাচার ও অপপ্রচার বাক স্বাধীনতা নয়। এই ধরণের আইডি/ইউটিউব সনাক্ত করে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি। কয়েকজন পরিচিত ইউটিউবার আছে, যারা প্রতিনিয়ত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করে সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে এই গুলোর প্রচার সীমিত করা জরুরী!

আ ন ম হাবিবুল্লাহ

২ মাস আগে

নাগরিক হিসাবে আমাদের দায়িত্ব কোন একটি সংবাদ পেলে ই যাচাই না করে প্রচার না করা। এতে দেশ জনগন উভয় ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সিরু

২ মাস আগে

> মিথ্যাচার, গুজব, অপপ্রচার, গালিগালাজ ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার কখনও বাক স্বাধীনতা হতে পারে না। এগুলো অন্যায় অপরাধ।
> এসব অন্যায় অপরাধ কর্মকান্ড ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, সরকার ও রাষ্ট্রের শান্তি শৃঙ্খলা উন্নয়ন অগ্রগতিকে ধ্বংস করে।
> এসব অন্যায় অপরাধের সাথে জড়িতদের কঠোর আইনের আওতায় আনতে হবে।

রহমান

২ মাস আগে

গুজব, মিথ্যাচার , ভুয়া ফটোকার্ড , নিজের বক্তব্য অপর কোন সুপরিচিত ব্যাক্তির বক্তব্য হিসাবে উপস্থাপন করা , চরিত্র হনন , নোংরা গালি , বট আইডি , এ আই দিয়ে ভুয়া ভিডিও তৈরী করে প্রচার , উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপপ্রচার এখন একটি জাতীয় সমস্যা হিসাবে উদ্ভুত হয়েছে | এ বিষয়ে দ্রুত আইনগত ব্যাবস্থা নেয়া জরুরি | তা নাহলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে, হানাহানি বাড়বে | জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সঠিক জনমত সৃষ্টি হবেনা |

মন্তব্য করুন