আরও রূপকথা লিখতে চায় ইতালি

আরও রূপকথা লিখতে চায় ইতালি

ফন্ট সাইজ:

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে প্রায় ধরাশায়ী করে ফেলেছিল নেপাল। সেই নেপালের বিপক্ষে ১০ উইকেটে জিতে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে আসা ইতালি। এখানেই থামতে চায় না ফুটবলের চারবারের বিশ্বকাপজয়ী দেশটি। আত্মবিশ্বাসকে পুঁজি করে পরবর্তী ম্যাচে ইংল্যান্ডকেও হারানোর হুঙ্কার দিয়ে রাখলো তারা। মুম্বাইয়ে বৃহস্পতিবার নেপালকে ১২৩ রানে আটকে দেয় ইতালি। রান তাড়ায় ৪৪ বল হাতে রেখে উদ্বোধনী জুটিতেই জয় তুলে নেয় ইতালিয়ানরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইতালির প্রথম জয়ের পর আবেগে ভাসেন দেশটির ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি সিমোনে গাম্বিনো। বিশ্বকাপে অংশ নেয়া এবং অভিষেক আসরেই জয় পাওয়ার মতো পরিস্থিতি যেন মনে দোলা দিচ্ছে ইতালিয়ান ক্রিকেটের প্রধানের কাছে। আগামী ১৬ই ফেব্রুয়ারি কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নামবে ইতালি। কঠিন ম্যাচটিতে জয় পাওয়া তো বটেই, বিশ্বকাপে সেমিফাইনালেও খেলার স্বপ্ন দেখছেন গাম্বিনো। তিনি বলেন, ‘আমি কখনও কল্পনাও করিনি এমন মুহূর্ত আসবে। তবে আমরা এখন সরাসরি কলকাতায় গিয়ে ইংল্যান্ডকে হারাতে চাই। আমরা সেমিফাইনালে উঠতে চাই।’ নেপালের বিপক্ষে জয়ের পর আবেগঘন উদযাপনে মাতে ইতালির খেলোয়াড়রা। ওয়াংখেড়ের ড্রেসিংরুমের মেঝেতে ব্যাট ঠুকতে ঠুকতে উচ্চস্বরে গান ধরে তারা। ইতালিয়ান ভাষায় ক্রিকেটাররা গাইতে থাকে, ‘জার্সি... নীল। আমরা প্রস্তুত, প্রয়োজনে মৃত্যুবরণ করতে... দলের জন্য জীবন দিতে চাই, আমরা ইতালি!’ জয়ের পর দল নিয়ে আশাবাদী সুর ফুটে ফুটল অধিনায়ক হ্যারি ম্যানেন্টির কণ্ঠে। চোটের কারণে মূল অধিনায়ক ওয়েইন ম্যাডসেন ছিটকে পড়লে তার জায়গায় দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ম্যানেন্টি। তিনি বলেন, ‘আমাদের স্কোয়াডের দিকে যদি তাকালে, ১৫ জনের মধ্যে ১২ জনকেই ক্রিকেটের বাইরে কাজ করতে হয়। এখানে কৃশ (কালুগামাগে) ভালো উদাহরণ। মাত্রই বিশ্বকাপে ম্যাচ জিতিয়ে সে ম্যাচসেরা হয়েছে। তবে, দেশে তাকে পিৎজা বানিয়ে জীবনধারন করতে হয় এবং অনুশীলনের পয়সা জোগাড় করতে হয়। আরও দ্রুত যদি না-ও হয়, আশা করি অন্তত কয়েক বছরের মধ্যে ইতালিতে খেলাটি যেন এত বেড়ে ওঠে যে, আমরা (পুরোটা সময়) খেলতে পারি।’





কোন মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

মন্তব্য করুন