কোপা দেল রে বা স্প্যানিশ কাপের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বার্সেলোনাকে লজ্জায় ডোবালো অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। ঘরের মাঠে বৃহস্পতিবার বিরতির আগেই চার-চারবার জাল খুঁজে নেয় মাদ্রিদের ক্লাবটি। ১৯৫৩-এর পর প্রথমবারের মতো কোনো আনুষ্ঠানিক ম্যাচে চার গোলে পিছিয়ে থাকে কাতালানরা। প্রায় ৭৩ বছর আগে শেষবার রিয়াল মাদ্রিদের কাছে এমন লজ্জার মহাসমুদ্রে ডুবতে হয় বার্সাকে। শেষ পর্যন্ত ৪-০ স্কোরলাইনেই জয় তুলে নেয় অ্যাটলেটিকো।
অন্যদিকে, বার্সা কোচ হান্সি ফ্লিকের জন্য এ স্কোরলাইন হয়তো আরও বেশি কষ্টের। নিজ দেশের ফুটবলের চতুর্থ স্তরে কোচিং ক্যারিয়ার শুরু করেন এ জার্মান কোচ। সে সময়টুকু বাদ দিলে, এটি ছিল তার কোচিং ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় পরাজয়। মাদ্রিদের ক্লাবটির এটি যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বড় জয়ও। ১৯৪১-এ কোপা প্রেসিদেন্তেতে প্রতিযোগিতায় ৬–০ গোলে জয় তুলে নেয় অ্যাটলেটিকো। বার্সার বিপক্ষে অ্যাটলেটিকোর সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয় সেটি।
রিয়াদ এয়ার মেট্রোপলিটানোতে সপ্তম মিনিটে আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় অ্যাটলেটিকো। স্বাগতিকদের এগিয়ে দেয়া এরিক গার্সিয়া ম্যাচের ৮৫তম মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন। কোপা দেল রে’র ১২৩ বছরের ইতিহাসে বার্সার প্রথম কারও এমন আত্মঘাতী গোলের পর লাল কার্ড দেখার অভিজ্ঞতা হলো। চতুর্দশ মিনিটে ব্যবধান বাড়ে আতোয়ান গ্রিজম্যানের গোলে। ডান প্রান্ত থেকে নাহুয়েল মোলিনার পাস পেয়ে বাঁ পায়ের শটে লক্ষ্যভেদ করেন এ ফরাসি ফরোয়ার্ড। ৩৩তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলে স্বাগতিক দল। হুলিয়ান আলভারেজের পাস ডি-বক্সের মধ্যে ফাকায় পেয়ে জাল খুঁজে নেন সদ্য যোগ দেয়া আদেমোলা লুকম্যান। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে দলের শেষ গোলটি করেন আলভারেজ নিজেই। টানা ১৩ ম্যাচ পর গোলের দেখা পেলেন এ আর্জেন্টাইন তারকা।
